সোমবার দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) মোজাম্মেল হক খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
দুদক কমিশনার জানান, থাইল্যান্ডে সেলিম প্রধানের মালিকানাধীন প্রধান গ্লোবাল ট্রেডিং, এশিয়া ইউনাইটেড এন্টারটেইনমেন্ট, তমা হোম পাতায়া কোম্পানি লিমিটেডসহ সাতটি কোম্পানির সন্ধান পাওয়া গেছে। একটি হিসেবে সেলিম প্রধান ৬১ কোটি টাকা দেশ থেকে পাচার করেছেন, তবে তা কোথায় পাচার করেছেন তার উৎস সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই টাকা থাইল্যান্ডে পাচারের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
.png)
সেলিম প্রধান লাস ভেগাসে ক্যাসিনো খেলতেন এবং কয়েক কোটি টাকা দিয়ে ক্যাসিনো চিপ লাস ভেগাস থেকে ক্রয় করেছিলেন এমন তথ্য দুদকের হাতে রয়েছে বলেও জানিয়েছে দুদক।
দুদক আরো জানান, এছাড়াও সেলিম প্রধানের নামে ব্যাংকক ব্যাংক ও সায়েম কমার্শিয়াল ব্যাংকে ২০ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে সেলিম প্রধানের ব্যাংক হিসাব ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও তার স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি ফ্রিজ করে দেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ঢাকায় ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সেলিম প্রধানকে আটক করে র্যাব। এরপর তার গুলশান, বনানীর বাসা ও অফিসে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ২৯ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় অবৈধ কারবারের মাধ্যমে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ২৭ অক্টোবর সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।