ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

সাকরাইন ঘিরে চলছে রঙ-বেরঙের ঘুড়ি বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:৫১, ১২ জানুয়ারি ২০২২
সাকরাইন ঘিরে চলছে রঙ-বেরঙের ঘুড়ি বিক্রি
পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজারে দোকানে রঙ-বেরঙের ঘুড়ি- ডেইলি বাংলাদেশ

আর মাত্র দুইদিন। শুক্রবারে উদযাপিত হবে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী উৎসব পৌষ সংক্রান্তি। যেটি পুরান ঢাকার সাকরাইন ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত। সাকরাইনকে ঘিরে পুরান ঢাকার অলিতে গলিতে চলছে ঘুড়ি বেচাকেনার ধুম। শিশু, তরুণ, বৃদ্ধরা কিনছে নাটাই, ঘুড়ি। চলছে সুতাই মাঞ্জা দেওয়ার কাজ।

পুরান ঢাকার শাঁখারী বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সাকরাইন উৎসব ঘিরে বিক্রি হচ্ছে নানা রকমের ঘুড়ি। এদের মধ্যে চশমাদার, কাউটাদার, পঙ্খিরাজ, প্রজাপতি, চক্ষুদার, ঈগল, সাদা ঘুড়ি, চারবোয়া, দুই বোয়া, টেক্কা, লাভ ঘুড়ি, ৩ টেক্কা, মালাদার, দাবা ঘুড়ি, বাদুর, চিল, অ্যাংরি বার্ডসহ নানা আকৃতির ঘুড়ি। 

শাঁখারী বাজারে ঘুড়ি কিনতে শিশুরা- ডেইলি বাংলাদেশ

Advertisement

ঘুড়ি ও সুতার দাম সম্পর্কে দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণ ঘুড়ির দাম ৮ থেকে ২৫ টাকা। বিদেশি ও নকশা ঘুড়ির দাম ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। নানা রকমের বাটিওয়ালা, মুখবান্ধা, লোহা নাটাই, কাঠের নাটাই, চাবাডী নাটাই বিক্রি হয় ১৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। ড্রাগন সুতা, ভুত সুতা, বিলাই সুতো, ঘুড়ি উড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরণের এই সুতা বিক্রি হয়ে থাকে ১৫০ থেক ৫০০ টাকায়।

ডেইলি বাংলাদেশকে শাঁখারী বাজারের রাধা মাধুরী প্রোডাক্টের স্বত্বাধিকারী কমল ঘোষ বলেন, ভালোই বেচাকেনা চলছে। পাইকারি কাস্টমার বেশি। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা এসে ঘুড়ি নিয়ে যান। দোকানে ৮ থেকে ১০ রকমের ঘুড়ি রয়েছে। বিক্রি ভালোই হচ্ছে।

শাঁখারী বাজারে দোকানে  রঙ-বেরঙের ঘুড়ি- ডেইলি বাংলাদেশ

ঘুড়ি কিনতে আসা জামাল ও তার বন্ধু সিদ্দিক বলেন, আমাদের কাছে এ উৎসব অনেক ভালো লাগে। প্রতি বছর সাকরাইনে বন্ধুরা মিলে ঘুড়ি উড়াই।

উল্লেখ্য, ১৪ জানুয়ারি সকাল থেকে শুরু হবে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাকরাইন। মহাভারতে যেটাকে মকরক্রান্তি বলা হয়। এই দিনে দিনভর ঘুড়ি উড়ানোর পাশাপাশি সন্ধ্যায় বর্ণিল আতশবাজি ও রঙ-বেরঙের ফানুশে ছেয়ে যায় বুড়িগঙ্গা তীরবর্তী শহরের আকাশ।

পুরান ঢাকা ছাড়াও ঢাকার অন্যান্য এলাকায় এই উৎসব পালন করা হয়। আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা সাকরাইন পালন করলেও এখন বাঙালি সংস্কৃতি হিসেবে সব ধর্মের মানুষ এটি পালন করে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!