ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

রোজায় গ্যাস নিয়ে দুঃসংবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৫২, ৪ এপ্রিল ২০২২
রোজায় গ্যাস নিয়ে দুঃসংবাদ
ফাইল ছবি

শুরু হয়েছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। এ সময় মানুষের গ্যাস ও বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে। তবে ঠিক এই সময়েই রাজধানীতে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

এদিকে আজকালের মধ্যে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা। অন্যদিকে একটি সূত্র জানিয়েছে, গ্যাস সংকট আরো সপ্তাহখানেক ভোগাতে পারে।

সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ শিল্পকারখানায় গতকাল রোববার সকাল থেকেই গ্যাসের চাপ কম ছিল। একাধিক শিল্পকারখানার মালিক জানান, তাদের কারখানা চালাতে কমপক্ষে ১৫ পিএসআই চাপে গ্যাস প্রয়োজন হয়। কিন্তু সকাল থেকে ২-৩ পিএসআইয়ের ওপর গ্যাসের চাপ ছিল না। ফলে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে।

আরো পড়ুন> প্রথম রোজায় রাজধানীজুড়ে গ্যাস সংকট
 
জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস উৎপাদনকারী বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের সরবরাহ লাইনে হঠাৎ বালুর উপস্থিতির কারণে শনিবার রাত দেড়টার দিকে ছয়টি কূপের উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে দিনে ১২৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহকারী গ্যাসক্ষেত্রটির উৎপাদন এক ধাক্কায় ৪৫ কোটি ঘনফুট কমে যায়। 

Advertisement

একই সঙ্গে এলএনজি থেকে মাত্র ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস মেলে। সব মিলিয়ে গ্যাসের ঘাটতি সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করে। গত শনিবার যেখানে ২৯৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস দিয়েছিল পেট্রোবাংলা, গতকাল রোববার তা কমে দাঁড়ায় ২৭৮ কোটি ঘনফুটে। যেখানে দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৪২০ কোটি ঘনফুট। গতকাল দিনভর প্রসেস প্ল্যান্ট সংস্কার করা হয়। কিন্তু কোন কূপ থেকে বালু আসছে, তা রাত ৮টা পর্যন্ত চিহ্নিত করা যায়নি। 

সূত্র মতে, আজকালের মধ্যে চার থেকে পাঁচটি কূপের উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও একটি কূপ চালু হতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগবে। ১০ এপ্রিল এলএনজির একটি কার্গো দেশে আসার কথা রয়েছে। এর পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান গণমাধ্যমকে বলেন, শেভরন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। সন্ধ্যার মধ্যে একটি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়েছে। আশা করি সোমবার দিনের মধ্যে সংকট কমে আসবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!