মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা নিয়ে চীন-জাপান ও পশ্চিমা দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব বলেন, আমরা বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের বলেছি যে বাংলাদেশ হলো পশ্চিমে, দক্ষিণে হলো মিয়ানমার আর্মি এবং উত্তরে হলো আরাকান আর্মি। সুতরাং আরাকান আর্মির গোলা কোনোভাবেই বাংলাদেশের দিকে আসার কথা নয়। জিওগ্রাফিক্যালি এটা হয় না, যদি না কেউ ইচ্ছাপূর্বক করে। কাজেই ইচ্ছাপূর্বকভাবে এই কনফ্লিক্টে (সংঘাত) বাংলাদেশকে জড়ানোর জন্য মিয়ানমার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।
.png)
তিনি বলেন, বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের বলেছি- আমরা এ প্রচেষ্টায় জড়াব না। তাই আমরা এ বিষয়টি আপনাদের অবহিত করলাম। আপনারা যে অ্যাকশন নেয়া উচিৎ বলে মনে করেন, সেটা করবেন। তারা আমাদেরকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
মিয়ানমারকে সেনাবাহিনী কর্তৃক কোনো বার্তা দেওয়া হয়েছে কিনা, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা সর্ববিস্তরেই মিয়ানমারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমি শুধু এতটুকুই বলব, আমরা সর্ববিস্তরেই যোগাযোগ রাখছি। মিয়ানমার যেন বুঝতে পারে, এরকম একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা তাদের জন্য বিপজ্জনক। বাংলাদেশ এটি কখনো সঠিকভাবে গ্রহণ করবে না।