রোববার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক বিন ইয়ামিন মোল্লা এ আল্টিমেটাম দেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বাজার তদারকিসহ সচেতনতামূলক কার্যক্রমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
.png)
সভায় বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আমরা এতদিন নানা ধরনের অন্যায়, অনিয়মের সঙ্গে ছিলাম। এখন আমাদের শপথ করতে হবে আমরা আর দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অন্যায়, সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, দখলদারি করবো না। এটা আমাদের মনে ধারণ করতে হবে। তারপর রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। তা না হলে আমাদের এত আত্মত্যাগ, এত জীবন, এত কান্না, বিপ্লব বৃথা হয়ে যাবে।
এ সময় তিনি বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৯টি সুপারিশ করেন। সেগুলো হলো-
১. বিপ্লবী ছাত্র জনতা টিম করে প্রতিটি শহর, জেলা, উপজেলা, পাড়া, মহল্লায় বাজার মনিটরিং করাবে। তবে তারা কাউকে জরিমানা করতে পারবে না। আইন নিজের হাতে তোলা যাবে না।
২. প্রতিটি জেলা-উপজেলায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা।
৩. প্রতিটি বিক্রেতার নিত্যপণ্য ক্রয়ের রশিদ রাখা।
৪. প্রতিটি দোকানে মূল্য তালিকা টাঙানো।
৫. কেউ বাজার, রাস্তা, দোকান দখল করে ব্যবসা করলে তাকে উৎখাত করা।
৬. রাস্তায় চাঁদাবাজি বন্ধ করা। সেটি প্রতিরোধ করা।
৭. প্রতিটি এলাকাভিত্তিক মূল্য তালিকা দেওয়া। যাতে কেউ বেশি দাম নিতে না পারে।
৮. ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের জনবল বাড়ানো।
৯. দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও উপ-পরিচালক আতিয়া সুলতানার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় উপস্থিতি ছিলেন- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণা) ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন, কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অন্যান্যরা।