ঢাকা,  শুক্রবার   ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

আদানির এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:২৮, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আদানির এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং
ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে ২০১৭ সালে চুক্তি করে পিডিবিপ্রতীকী ছবি: রয়টার্স

কয়লা স্বল্পতায় বিগত এক মাস ধরে আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র সীমিত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছিল। কয়লা সরবরাহ বাড়ার পর বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর উৎপাদন বাড়ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে গতকাল দিবাগত রাত ১২টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। এতে উৎপাদন কমায় আরও লোডশেডিং বাড়ছে দেশে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, ঝড়ের কারণে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় গত ৭ আগস্ট থেকে উৎপাদন কমায় আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র। গত মাসের শেষ দিকে উৎপাদন বাড়িয়ে দিনের বেলায় ৯০০ মেগাওয়াট করে তারা। আর সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত সরবরাহ করছিল তারা। গতকাল রাতে ১ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায় উৎপাদন। তবে একটি ইউনিট বন্ধের পর উৎপাদন হচ্ছে ৭৫০ মেগাওয়াটের কম।

জানা যায়, ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যে নির্মিত আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার। ২০১৭ সালে আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট আছে এখানে। চাহিদা বুঝে দেড় হাজার মেগাওয়াটের বেশি সরবরাহ করার রেকর্ড আছে এই কেন্দ্রের।

Advertisement

আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত দুজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, বয়লারে সমস্যা হয়েছে। এটি শীতল হতে ৪৮ ঘণ্টা লাগতে পারে। এরপর ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু হবে। তাই উৎপাদন বাড়তে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

পিডিবি সূত্র জানায়, দুই মাসের বেশি সময় ধরে দেশে গ্যাসের সংকট তীব্র হয়েছে। গ্যাস থেকে দেড় হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত উৎপাদন কমেছে। কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। কয়লাস্বল্পতা ও কারিগরি কারণে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন। কিছুদিন ধরে পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ। পটুয়াখালীর আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার স্বল্পতা আছে। 

বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রও কয়লার সংকটে উৎপাদন কমিয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জ্বালানি তেল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। গরম বাড়লেই লোডশেডিং বাড়ছে। গতকাল সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল বেলা তিনটায়—৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। আজ ছুটির দিন সকালেও আড়াই হাজার মেগাওয়াটের বেশি সারাদেশে লোডশেডিং হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/DB-N-04
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!