তিনি বলেন, বিকল্প জ্বালানী ব্যবস্থার নতুন ধরনের এ রকেট সৌর জগতে মহাকাশ যাত্রার সময়কে অনেকটাই কমিয়ে আনতে সক্ষম হবে। মহাকাশ যানে যখন নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ব্যবহৃত হবে তখন যানটি মহাকাশে তার নিজস্ব তেজস্ক্রিয়তা তৈরি করতে সক্ষম হবে। এর মাধ্যমে মহাকাশ যানের গতি ও ক্ষমতা ব্যাপক পরিমানে বৃদ্ধি পাবে।
এ সম্পর্কে টুইটারে তিনি বলেন, এটা মহাকাশ যাত্রার জন্য খুবই চমৎকার কিছু হবে, তবে পৃথিবী প্রদক্ষিণের জন্য এটা উপযুক্ত হবে না।
.png)
ইলন মাস্ক বলেন, বর্তমান রকেটগুলোতে করে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছাতে যেখানে প্রায় ৮ মাসের মতেো সময় লাগে, সেখানে নিউক্লিয়ার থার্মাল রকেটে ১০০ দিনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছানো যাবে।
স্পেস এক্স বর্তমানে মঙ্গলগ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে মঙ্গলের মাটিতে মানুষের আবাস্থল গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
সূত্র: ইনভার্স ডটকম
ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী