কেমন আছেন?
সাইদুর রহমান পাভেল: সকলের দোয়ায় ভালো আছি।
কাজ নিয়ে ব্যস্ততা কেমন?
সাইদুর রহমান পাভেল: হ্যাঁ, অভিনয় যেহেতু পেশা। সেটা নিয়েই এখন ব্যস্ততা। ‘হাউ সুইট’ শিরোনামে নতুন একটি ওয়েব ফিল্ম করছি অমি ভাইর পরিচালনায়। এভাবে দিন যাচ্ছে।
‘মীরাক্কেল’ দিয়ে আপনার শুরু। এই প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের অনেকে নিজেদের প্রমাণ করেছেন। তবু আমাদের দেশে স্ট্যান্ডআপ কমেডির জায়গা তৈরি হচ্ছে না কেন?
সাইদুর রহমান পাভেল: আসলে এ নিয়ে কারো পরিকল্পনা নেই। স্ট্যান্ডআপ কমেডির যদি রেগুলার শো হতো, তাদের সম্মান করা হতো। তাহলে বিষয়টি অন্য রকম হতে পারত। অন্যান্য দেশে স্ট্যান্ডআপ কমেডি পেশা হিসেবে নিয়েছেন অনেকে। কারণ, সেখানে তারা প্রাপ্য সম্মানীটুকু পাচ্ছেন। আমাদের দেশে সেটা হচ্ছে না বলেই অনেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। নাটক-সিনেমার মতো স্ট্যান্ডআপ কমেডি নিয়ে মার্কেটিং হলে অনেক দূর যেতে পারত। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। সত্যি বলতে, স্ট্যান্ডআপ কমেডি পেশা হিসেবে নেয়ার মতো পরিবেশ এ দেশে নেই।
.png)
যারা স্ট্যান্ডআপ কমেডির সঙ্গে জড়িত, তারা কি সম্মিলিত ভাবে কোনো উদ্যোগ নিয়েছেন কখনো?
সাইদুর রহমান পাভেল: পরিকল্পনা নেওয়া হলেও কোনো কাজ হয় না। একটি অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করলে আমাদের যে বাজেট দেওয়া হয়, সেটা দেখলে আগ্রহটা হারিয়ে যায়। এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে কয়েকবার।
সিনেমায় একসময় কৌতুকশিল্পীদের ভালো অবস্থান ছিল। ইদানীং সিনেমায় সেসব চরিত্র প্রায় অনুপস্থিত। বিষয়টি কীভাবে দেখেন?
সাইদুর রহমান পাভেল: খুব আফসোস হয়। আমাদের সিনেমায় একসময় টেলিসামাদ সাহেব, দিলদার সাহেবদের মতো অভিনেতারা ছিলেন। সব সিনেমায় তাদের চরিত্রের গুরুত্ব থাকত। তাদের ছাড়া সিনেমা অসম্পূর্ণ মনে হতো। অথচ অনেক বছর ধরে সিনেমা থেকে কমেডিয়ানরা যেন হারিয়ে গেছেন। অথচ অন্য দেশের সিনেমার দিকে তাকালে দেখবেন, কমেডিয়ানরা কত শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করছেন!
এর দায়টা আসলে কার?
সাইদুর রহমান পাভেল: এই দায় পরিচালক ও চিত্রনাট্যকারদের নিতে হবে। তারা চাইলে নতুন প্রজন্মের কেউ না কেউ উঠে আসত। তারা মনে হয় এমনটা চাইছেন না। কমেডিয়ানদের ছাড়াই চিন্তা করা হচ্ছে বলে বাংলা সিনেমা থেকে কমেডিয়ানরা হারিয়ে যাচ্ছেন।