ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ সাক্ষাৎকার ]

‘আমাদের কেমিস্ট্রি ক্যামেরার পেছনে যেমন, সামনেও তেমন’

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৪১, ৩০ অক্টোবর ২০২৪
‘আমাদের কেমিস্ট্রি ক্যামেরার পেছনে যেমন, সামনেও তেমন’
ছবি: অভিনেত্রী নিদ্রা দে নেহা

মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ২০২০ সালে অংশ নিয়ে সেরা দশে ছিলেন আর সেই থেকে শুরু অভিনেত্রী নিদ্রা দে নেহার যাত্রা। এরপর কাজ করেছেন বেশ কিছু বিজ্ঞাপনে। দুই বছর আগে বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে ‘আমার বাংলাদেশ’ শিরোনামে সাড়ে তিন মিনিটের একটি ভিডিও কনটেন্ট নির্মাণ করেছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। 

যেটি সেসময় দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। সেই গল্পে বাংলাদেশি মেয়ে জুঁই চরিত্রে অভিনয় করা নেহা দর্শকের কাছে বেশ পরিচিতি পান।  তার আগ্রহ সিনেমাকে ঘিরে আর তাই এখন পর্যন্ত বহু নাটকে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও সাড়া দেননি। শোবিজের পথচলা ও নানা প্রসঙ্গে ডেইলি বাংলাদেশের 

কেমন আছেন? 
নিদ্রা দে নেহা:
হ্যাঁ সব কিছু মিলিয়ে ভালো আছি সুস্থ আছি সবার আশীর্বাদে। 

Advertisement

আপনি এবং আপনার স্বামী বেশ কিছু বিজ্ঞাপন, নাটক ও ওটিটি কন্টেন্টে কাজ করেছেন। সামনেও একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে কি না?
নিদ্রা দে নেহা:
আমি এবং প্রান্তর বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করার পর আবারও আমাদের জুটি দেখা যাবে নাটক ‘শখের নারী’তে। এ ছাড়া চরকিতে ওয়েব ফিল্ম ‘আন্তঃনগর’-এ প্রথম একসঙ্গে কাজ করার পর, আমাদের অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি দর্শকদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করে। তবে হ্যাঁ গল্পের প্রয়োজনে নির্মাতারা যদি আমাদের জুটি নিয়ে কাজ করতে চায়, তাতে আমাদের আপত্তি নেই। 

ছবি: অভিনেত্রী নিদ্রা দে নেহাবিয়ের পর দাম্পত্যের কেমিস্ট্রি কেমন?
নিদ্রা দে নেহা:
আমাদের কেমিস্ট্রি ক্যামেরার পেছনে যেমন, সামনেও তেমন। কোনো পার্থক্য নেই। ওর সঙ্গে কাজ করতে আমার খুব বেশি ভালো লাগে। আমাদের জন্য ক্যামেরার সামনে কিংবা পেছনে বলে কোনো রসায়ন নেই। আমাদের কেমিস্ট্রিটা আসলে আমাদেরই। তবে বিয়ের পর এখন আমাদের কাজ শেখার সুযোগ বেড়েছে। সময় পেলেই সিনেমা দেখি, এরপর দুজনে মিলে পছন্দের চরিত্র রূপায়ণের চেষ্টা করি। 

আপনার প্রথম সিনেমা ‘শরতের জবা’। এতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা কেমন? 
নিদ্রা দে নেহা:
‘শরতের জবা’ আমার প্রথম সিনেমা। এই সিনেমায় কুসুম শিকদার আপা, ইয়াশ রোহান ভাইয়ের মতো সহশিল্পী পেয়েছি। সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমার সঙ্গে জুটি ছিলেন জিতু আহসান ভাই। ছোটবেলায় তাকে টিভিতে দেখেছি। উনাদের কাছে আমি খুবই নগণ্য। দারুণভাবে সবাই সহায়তা করেছেন। তাদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। 

থ্রিলার বা ফিকশনের ক্যারিয়ার শুরু কীভাবে?
নিদ্রা দে নেহা:
আমার ফিকশনের ক্যারিয়ার চরকি দিয়েই শুরু। এদের সঙ্গে ‘আধুনিক বাংলা হোটেল’ নামে আরেকটি ওয়েব সিরিজে কাজ করেছি। এতে মোশাররফ করিম ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছি। উনার কাছে অনেক কিছু শিখেছি। সিরিজটি নির্মাণ করেছেন কাজী আসাদ। 

ছবি: অভিনেত্রী নিদ্রা দে নেহাশোবিজে পথচলা শুরু কীভাবে?
নিদ্রা দে নেহা:
ছোটবেলা থেকেই নাচ করতাম। ফ্যাশন করে ছবি তুলতাম। মা খুব চাইত, লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টারে যাই। ঢাকায় আসার পর মনে হলো, মায়ের স্বপ্নটা নিয়ে আবার ভাবা যায়। এর মধ্যে মিস ইউনিভার্সে অংশ নিই। টপ টেনে চলে আসি। এভাবেই শোবিজে আসা। স্বপ্ন এটাই যে, অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে যেন সবাই মনে রাখতে পারেন; সে ধরনের কিছু কাজ করে যেতে চাই।

অভিনয় নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী? 
নিদ্রা দে নেহা:
২০২০ সালের ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ দিয়ে আমার মডেলিংয়ের শুরু। কখনো অভিনয় শিখিনি। তবে ছোটবেলায় নাচ করতাম। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইয়ের ওভিসি আমার বাংলাদেশে কাজ করেছি। নিজেকে সবসময় অভিনয়শিল্পী হিসেবেই দেখতে চাই। অভিনয়টা খুব ভালোবাসি। আমি যখন অভিনয় করি, তখন নিদ্রা থাকি না, একেকটা চরিত্র হয়ে উঠি। চরিত্রে থাকলে আমার জীবনের কোনো চিন্তা মাথায় থাকে না। একেক সময় একেক চরিত্র ধারণ, ওই চরিত্রের মধ্যে থাকা, এটা খুবই উপভোগ করি। আজীবন অভিনয়শিল্পী হিসেবে কাজ করতে চাই।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএইচএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!