মালয়েশিয়ার ৬৯তম জাতীয় দিবস ও মালয়েশিয়া দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর, শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে মালয়েশিয়ার জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
.png)
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনারসহ কূটনৈতিক কোরের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তব্যে ড. আবদুল মঈন খান বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মালয়েশিয়া সফর এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দুই দেশের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতে এ বাণিজ্য আরও বাড়ানোর পাশাপাশি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ), বিনিয়োগ, জ্বালানি, ডিজিটাল অবকাঠামো, বৈদ্যুতিক যান (ইভি) ও আধুনিক প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মালয়েশিয়ায় কর্মরত এবং দেশটিতে যেতে আগ্রহী বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বলেন, অভিবাসনপ্রত্যাশীরা যাতে কোনো অসাধু চক্র বা দালালের প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে দুই দেশকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ ছাড়া শিক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মালয়েশিয়ার আরও সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন ড. আবদুল মঈন খান।