ঢাকা,  বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩

[ খেলা ]

ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে হারল টাইগাররা

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০১:২৩, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে হারল টাইগাররা
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের টাইগাররা ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে। ২৭১ রানের জবাবে তাওহীদ হৃদয়রা থেমেছে ১৭২ রানে; তাও আবার ৩৩.৪ ওভারেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে আগামী ২১ অক্টোবর তাদের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান।

ফাইনালে যেতে সে ম্যাচ জেতার বিকল্প নেই বাংলাদেশের জন্য। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স বলছে, কাজটা বেশ কঠিনই হবে। আবুধাবির এই উইকেটে লক্ষ্যটা হাতের নাগালে না থাকলেও অসম্ভব কিছু ছিল না। বাংলাদেশের শুরুটাও ছিল দারুণ।

উদ্বোধনী জুটিতে ৬.৩ ওভারে ৪৭ রান এনে দেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। সৌম্য ৯ রান করে ফেরার পরই ছন্দপতন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত, হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান—কেউই দলের বিপর্যয়ে হাল ধরতে পারেননি। বাংলাদেশও আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি। শেষ ১২৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয়।

বাংলাদেশের হয়ে এক তামিম ছাড়া আর কেউ বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। নিউম্যান নিয়াম্বুরির বলে রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ওপেনার। সাইফের ২৬ রান বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। শেষ দিকে রিশাদ ২৩ রান করলেও সেটা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। বাংলাদেশকে অলআউট করার পথে সবচেয়ে বড় অবদান ব্রাড ইভান্সের। ৪৫ রানে ৪ উইকেট নেন এই পেসার।

জিম্বাবুয়ের ইনিংসের চিত্রটা অবশ্য ভিন্ন ছিল। ২৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ব্যাটিং দৃঢ়তায় বাংলাদেশের সামনে কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দেয় তারা। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১৭৪ রান। চতুর্থ উইকেটে ১৫০ রান যোগ করেন টেলর ও আরভিন। প্রথম ১০ ওভারে মাত্র ৩০ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে ৪০তম ওভার শেষে তাঁদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ২০১ রান। অর্থাৎ মাঝের ৩০ ওভারে ১৭১ রান তোলে তারা। ভয়ংকর হয়ে ওঠা টেলর-আরভিন জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে স্বস্তি এনে দেন সাইফ। ৩৭তম ওভারে বোলিংয়ে এসেই টেলরকে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের ক্যাচ বানান। ১০১ বলে ১০ বাউন্ডারিতে টেলর ফিরলে ভাঙে ১৫০ রানের জুটি।

টেলর ফিরলেও সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েছিলেন আরভিন। কিন্তু নড়বড়ে নব্বইয়ের ঘরে কাটা পড়েন তিনি। শরীফুল ইসলামের বলে নুরুল হাসান সোহানের হাতে ধরা পড়ার আগে ৯৩ রান করেন আরভিন। ১০৬ বলে ৯ চারে সাজানোর তাঁর ইনিংস। মাঝে ওয়েসলে মাধেভেরে (১৭) ও সিকান্দার রাজাকে (৪) হারায় জিম্বাবুয়ে। শেষদিকে বাংলাদেশের ওপর ছোট ঝড় বইয়ে দেন নিউমান নায়ুম্বুরি ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজা। তাঁদের জুটিতে আসে ৩৭ রান। দুজনেই ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৭১ রান করে জিম্বাবুয়ে। ৪৪ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএ/এমকে
Durga Puja
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!