ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ মতামত ]

বিদ্রোহী কবিতা ও এক জীবনের পূর্ণতা

রহিমা আক্তার মৌ
প্রকাশিত: ১৩:৪৫, ১৬ অক্টোবর ২০২৩
বিদ্রোহী কবিতা ও এক জীবনের পূর্ণতা
কাজী নজরুল ইসলাম

নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা লেখার একশত দুই বছর আর বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের একশত এক বছর চলছে। যতবার শুনেছি যতবার পড়েছি, নজরুলের বিদ্রোহী কবিতায় নিজের একটা পরিপূর্ণ জীবন খুঁজে পেয়েছি। আমার জীবনে নজরুল ও তার বিদ্রোহী কবিতার আবির্ভাব ঘটে ১৯৯৫ সালের শেষদিকে। আমি প্রথম মা হবো। প্রথম সন্তানের গর্ভের বয়স যখন সাত মাস তখন মায়ের বাসা থেকে আমার জন্য শাড়ি, মিষ্টি, উপহার নিয়ে আসে, যাকে বলা হয় সাত মাসের অনুষ্ঠান। নিন্ম মধ্যবিত্তের পরিবারে যেমনটি হয় তাই। তবে মা-বাবা তাদের সক্ষমতার সেরাটা করেছেন, কারণ বাবা বাড়ির পরিবারে আমার সন্তান হলো প্রজন্মের সবার বড়। পরিবারে নতুন প্রজন্ম আসবে আনন্দ যেন ধরে না। সেদিন সবকিছুর সঙ্গে আমার বড় বোন আমার জন্যে নজরুলের সঞ্চিতা বইটি নিয়ে আসে।

আমি বই হাতে পেয়েই একটু পড়েছি। এর আগে পড়লেও সেটা মনে নেই। সেই ১৯৯৫ থেকে আজ ১১ অক্টোবর ২০২৩, কতবার পড়েছি হিসাব নেই। অবশ্য এখন পড়া হয় কম, শোনা হয় বেশি। খুব শান্ত সময়ে শুনি, মন খারাপ হলে শুনি, মনে খুব রাগ পুশলে শুনি, কাউকে আঘাত করতে ইচ্ছে করলে শুনি, খুব কাঁদতে ইচ্ছে করলে শুনি, তখন কান্না অনেক সহজ হয়ে যায়। নিজেকে দুর্বল ভাবলে বিদ্রোহী কবিতা শুনি, নিজেকে স্বপ্নের মাঝে হারিয়ে ফেলতে চাইলে শুনি, আমার কষ্টগুলোকে সহজ করতে চাইলে শুনি। আমার ভেতরের পশুত্ব আচরণকে শান্ত করার জন্যে আমি নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা শুনি। ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার প্রতিটি চরিত্র খুঁজে পাই বিদ্রোহী কবিতায়।

ব্যক্তি আমি নিজেকে তরল পদার্থ ভাবি। হয়তো অনেকের কাছে হাস্যকর হতে পারে, তবে প্রত্যেকটা মানুষ সবচেয়ে বেশি চেনে নিজেকে, বেশি বোঝে নিজেকে, বেশি রাগ করে নিজের সঙ্গে, অভিমান করে নিজের সঙ্গে। সময় সাপেক্ষে নিজেকেই ঘৃণা করে, আমি যখন নিজেকে ঘৃণা করি তখনো আমি নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা শুনি। নিজেকে তরল পদার্থ ভাবার কারণ হলো আমার সঙ্গে যে যেমন আচরণ করে আমিও তার সঙ্গে ঠিক তাই করি। অনেকে বলে আমি খুব মায়াবী, আসলে তারা আমার সঙ্গে মায়াবী আচরণ করে বলেই আমি মায়াবী। অনেকে বলে আমি রাগি, আমি জেদি, আসলে ওরা আমার সঙ্গে তাই বলেই আমিও তাই। আমি নিজেকে খুব দজ্জাল বলি, এটা বলার একটা কারণ আসলেই আমি তাই। মিথ্যে শুনতে পারি না, তার ওপর চোরের মায়ের বড় কথা এমন কিছু শুনলে আমি আরো জেদি হয়ে যাই, দজ্জাল হয়ে যাই।

Advertisement

ছোট এই জীবনে নজরুলকে নিয়ে পড়েছি খুব যে বেশি তা নয়, তবে কমও নয়। এখন অনেকটাই প্রয়োজনে পড়ার মতো। নিজের জন্য যতটা না পড়তে আগ্রহী তারচেয়ে বেশি হলাম লেখার জন্যই পড়া। কারণ লিখতে হলে পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আমি নজরুলকে পড়েছি, সেজন্য লিখেছি নজরুলের কয়েকটা দিক নিয়ে। পাশাপাশি আমি রবীন্দ্রনাথকে নিয়েও পড়েছি, কিন্তু আজ পর্যন্ত আমি রবিকে নিয়ে একটা কলমও লিখতে পারিনি। বিদ্রোহের নজরুল, বিরহের নজরুল, নজরুলের নায়িকারা, বিরহে বিভোর নজরুল, নজরুলের সাহিত্যে নারীর অবদান। নজরুলকে নিয়ে লেখা এগুলো আমার শিরোনাম। কিন্তু কেন আমি রবিকে নিয়ে লিখতে পারিনি তা আজও অজানা। বিদ্রোহী কবিতা সম্পর্কে পড়ার আগ্রহ, পড়ছি আর জানতে পারছি। পড়তে পড়তে বিদ্রোহী কবিতা নিয়ে বুদ্ধদেব বসুর একটা উক্তি পড়ে থমকে যাই, মনে হলো এ যেন আমার মনের কথা।

কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার প্রশংসা করে বুদ্ধদেব বসু বলেছিলেন, ‘মনে হলো এমন কিছু আগে কখনো পড়িনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলা সাহিত্য বিশ শতকে রবীন্দ্র প্রভাব এত সর্বগ্রাসী হয়েছিল যে, মনে হচ্ছিল এর বাইরে যাওয়া যাবে না, যতক্ষণ না বিদ্রোহী কবিতার নিশান উড়িয়ে হইহই করে নজরুল এসে হাজির হলেন।’

একজন সাধারণ পাঠক হিসেবে নিশ্চয়ই স্বাধীন মতামত আমি প্রকাশ করতেই পারি। আমারও মনে হচ্ছে এমন কিছু কখনো পড়া হয়নি আর হবেও না হয়তো। মনে হয় বিদ্রোহী কবিতার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে আসার মতো কোনো কবিতা আজও কেউ লেখেননি আর লেখাও সম্ভব নয়। বিদ্রোহী কবিতাই যেন এক জীবনের পূর্ণতা। আমি কারো সৃষ্টিকে বড় বা ছোট করছি না, আমি শুধু আমার ভাবনার প্রকাশ করছি।

ইতিহাস বলছে- নজরুল বিদ্রোহী কবিতাটি লেখেন ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে। ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি বিজলী পত্রিকায় প্রথম ছাপা হয় নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা। প্রথম ছাপায় এত এত জনপ্রিয়তা পায় যে পর পর ছাপা হয় আরো অনেক পত্রিকায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ থেকে ফিরে কাজী নজরুল ইসলাম তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মুজাফফর আহমেদের সঙ্গে কলকাতায় বসবাস শুরু করেন, সময় তখন ১৯১৯ সাল। ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে কলকাতার তালতলার বাসায় বসে পেন্সিল দিয়ে নজরুল কবিতাটি লেখেন।

মুজাফফর আহমেদের মতে, কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ৬ জানুয়ারি ১৯২২ সালে সাপ্তাহিক বিজলী পত্রিকায়। এই মতের মাঝে দ্বিমত করেন প্রাণতোষ চট্টোপাধ্যায়। তার মতে বিজলী পত্রিকায় প্রকাশের আগে বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশিত হয় মোসলেম ভারত পত্রিকায়।

নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশ নিয়ে মুজাফফর আহমেদ আরো বলেন, ‘বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। বিজলী পত্রিকার পর দ্য মোসলেম ভারত, প্রবাসী, মধুমতি এবং সাধনা ম্যাগাজিনসহ অন্যান্য কিছু পত্রিকাও কবিতাটি প্রকাশ করে। কবিতাটি প্রকাশের পর থেকেই নজরুল সবার কাছে পরিচিত হতে থাকেন এবং নানাভাবে সমাদৃত হন। তখন বিজলী পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন নলিনীকান্ত সরকার। বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশনার দিন বিজলী পত্রিকা পর পর দুইবার ছাপতে হয়েছিল, যার সংখ্যা ছিল ২৯ হাজার। সেদিন কমপক্ষে দুই লাখ মানুষ বিদ্রোহী পড়েছিল।’

২০২৩ সালে আমরা প্রতিটি বিষয়ের পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলি বা শুনি। অথচ সেই শত বছর আগেও ছিল এর প্রভাব, যা বিদ্রোহী কবিতা নিয়ে আলোচনা সমালোচনা পড়ে জানতে পারি। বিদ্রোহী কবিতার একটা মূল ভাব হলো ‘আমি’ শব্দটি। সেই ‘আমি’ শব্দটিকে পুঁজি করেই সমালোচনা করেন মোহিতলাল মজুমদার।

মোহিতলাল মজুমদার বলেছিলেন, তার ‘আমি’ শীর্ষক লেখার বিষয়বস্তু নিয়েই নজরুল বিদ্রোহী কবিতা লিখেছেন। মোহিতলাল মজুমদারের সঙ্গে সুর মিলিয়ে রবীন্দ্রনাথ গুপ্ত বলেছেন, মোহিতলাল মজুমদার এর লেখা ‘আমি’ প্রবন্ধের সঙ্গে সাদৃশ্য রয়েছে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার। বিষয়টি এ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ নয়, নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছেন সজনীকান্ত দাস।

‘বল বীর, শির নেহারি আমারি নতশির ঐ শিখর হিমাদ্রির!’ নজরুল বীরের কথা বলে, শিরের কথা বলে আবার নতশির করছেন। মনে হয় নিজেকে নিজেই ভাঙছেন আবার গড়ছেন। মহাবিশ্বের মহাকাশ পাড়ি দিয়ে চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-তারা সব কিছুকে ছাড়িয়ে তিনি অগ্রসর হচ্ছেন সামনের দিকে। ভূলোক-দ্যুলোক-গোলক এমনকি খোদার আসন ছেদ করে তিনি বিশ্বের কাছে পৌঁছে যাচ্ছেন। কবিতায় যেমন তিনি পৌঁছাতে চেয়েছেন বাস্তবে কবিতাটিই তাকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বের কাছে।

বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর কবিতাটি নিষিদ্ধ করার জন্যও ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের মধ্যে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্ব হয়। এ বিষয়ে অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা না করলেও যেখানেই এসব পত্রিকা পেত, সেগুলো জব্দ করতো। আনুষ্ঠানিকভাবে না হলেও অনানুষ্ঠানিকভাবে এক প্রকার নিষিদ্ধ ছিল।

নজরুল তার বিদ্রোহী কবিতায় নিজেকে চিরদুর্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস, নটরাজ, সাইক্লোন, ধ্বংস! বলে অভিহিত করেছেন। তিনিই আবার নিজেকে আইনের বাইরে নিয়ে গেছেন। বলেছেন- যত বন্ধন, যত নিয়ম-কানুন-শৃঙ্খল কিছুই তিনি মানেন না। নিজেকে ঝন্ঝা, ঘূর্ণি বলে পরক্ষণেই আবার জীবনানন্দকে মুক্ত বলে অভিহিত করেছেন।

আবৃত্তি শিল্পী টিটো মুন্সির কণ্ঠের বিদ্রোহী কবিতায় আমি নতুনত্বের স্বাদ পেয়েছি। ইদানীং ঐ কণ্ঠ ছাড়া অন্যটা শুনতে একেবারেই ভালো লাগে না।

‘আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি ছমকি
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি
ফিং দিয়া দিই তিন দোল;
আমি চপলা-চপল হিন্দোল।’- এই লাইনগুলো যখন শুনি মনে হয় একটা কণ্ঠকে কতভাবে উপস্থাপন করা যায় তার সবগুলোই তিনি উচ্চারিত করেছেন। নজরুল উপস্থাপন করেছেন বর্ণের পর বর্ণ দিয়ে, শিল্পী ফুটিয়ে তুলেছের কন্ঠস্বর দিয়ে। এ যেন মিলেমিশে একাকার।

‘আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা’ আসলে মন যা চায় তা কি আমরা পারি? নজরুল চেয়েছিলেন আমরা যেন তা করি। আমরা তা পারি না বলেই বাস্তবতার দোহাই দিই। শত্রুর সঙ্গে গলাগলি করতে পারি না, অদৃশ্য বিবেক আমাদের আটকে ধরে। আর মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়া যেন স্বয়ং সৃষ্টির সঙ্গেই মশকরা করা। এমন লাইনগুলো পড়লে মনে হয় নজরুল আমাদের গ্রহের বা জগতের কেউ ছিলেন না? তখন ভাবনায় আসে তাহলে নজরুল কোথাকার? মুখে বলা আর কাজ করে দেখানোর মাঝে বিশাল যে ব্যবধান তাই তিনি আমাদের বলে গেছেন বিদ্রোহী কবিতায়।

‘মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য;
আমি কৃষ্ণ-কণ্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা-বারিধীর।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।
বল বীর, চির উন্নত মম শির!’- নজরুল নিজেকে সুরেলা বাঁশির সঙ্গে তুলনা করেই আবার মন্থন বিষের কথা বলেছেন। প্রেয়সীর হাতের রিনিঝিনির শব্দ হয়ে পরক্ষণেই বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর কথা বলেছেন। মানে চোখের পলকেই তিনি চরিত্রের মাঝে শুধু ভিন্নতা নয় সম্পূর্ণ উল্টো পথে হেঁটেছেন।

১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে কবিতাটি প্রথম আর্য পাবলিশিং হাউস থেকে প্রকাশিত অগ্নিবীণা বইয়ে অন্যান্য ১১টি কবিতার সঙ্গে সংগ্রহ করা হয়। শতবছর বা কয়েকশত বছর পার হতে পারে কিন্তু নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা ঠিক এভাবেই তার দিক-নির্দেশনা দেখাবে নতুন প্রজন্মের মাঝে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাদের জীবনকে সাজাবে বিদ্রোহী কবিতার বর্ণ বা শব্দে, রাঙাবে নজরুলের ছন্দের আলোকে।

নজরুলের বিদ্রোহী কবিতা পড়ে মতামত প্রকাশ করেছেন আমার মতো অনেক সাধারণ মানুষ। আলাউদ্দিন লিখেছেন, ‘কবিতাটির মধ্যে একটা বিদ্রোহী সত্তার প্রকাশ পায়। তাই কবিতাটি আমার মতে শ্রেষ্ঠ কবিতা।’

হাসিব মহিউদ্দিন লিখেছেন, ‘আমার চোখে বাংলা সাহিত্যের সেরা কবিতা। বিদ্রোহী কবিতা আমার প্রাণের স্পন্দন।’

মো. আমিনুল ইসলাম বিপ্লব লিখেছেন, ‘আমার মনে হয় এটিই শ্রেষ্ঠ কবিতা।’

নাবিহা আল-জোহরা লিখেছেন, ‘কাজী নজরুল ইসলামের এই অসাধারণ কবিতাটি শুনলে বুকে কাঁটা দিয়ে ওঠে। এত দারুণ কবিতা পুরো বিশ্বের কাছে আমাদের পৌঁছে দিতে হবে। আমার মতে এটি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কবিতা, এত সুন্দর কবিতা আজ পর্যন্ত বিশ্বের কোথাও আবিষ্কৃত হয়নি। কাজী নজরুল ইসলামকে জানাই সালাম।’

তারেক হাসান লিখেছেন, ‘বিদ্রোহী কবিতাটি চেতনা উজ্জীবিত করে, যা নবীনদের নতুন সংকল্প তৈরি করে।’

ইসরাত জাহান লাকি লিখেছেন, ‘আমার পড়া শ্রেষ্ঠ কবিতা। এই একটা কবিতাই প্রমাণ করে দেয় যে সাহিত্য শুধু চর্চার বিষয় না, এটা গড গিফটেড।’

শারমিন আক্তার লিখেছেন, ‘কবি তার সবটুকু ভালোবাসা শক্তি বজ্রধ্বনি, অপূর্ণতা শোষনের বিরুদ্ধে কৌশলে রূখে দাড়ানোর জন্য। সর্বপ্রকার মনুষ্যত্বকে জাগ্রত করতে আহ্বান জানিয়েছেন তার বিদ্রোহী কবিতায়।মন প্রান শিহরিত হয়ে উঠে। তার কবিতা পাঠ করে। তিনিই আমার কাজে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কবি, মডেল, নায়ক, আলোকবর্তিকা বাহক,সৃজনশীল, চিরসবুজ, চিরনবীন। আমার অনুভবের কবি ভালোবাসার কবি।’

মোহাম্মদ সাগর হোসেন বলেছেন, ‘নিজ ব্যক্তিত্বের কাছে নিজে সৎ থাকাতে অন্যায় ও মিথ্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সত্যের পতাকা উন্মোচন করতে এ কবিতা আমার চোখ ও মনের পর্দায় সবসময় ফুটে উঠুক!’

জে এম সামিয়া লিখেছেন, ‘আমার জীবনে এই শ্রেষ্ঠ কবিতা শুনে মুগ্ধ আমি চিরজীবন বলিব বল বীর, বল উন্নত মম শির। এ দেশে জন্মগ্রহণ করিয়া আমি হইয়াছি ধন্য। এ জগতের শ্রেষ্ঠ কবিতা বিদ্রোহী কবিতা।’

সাইদুর রহমান লিখেছেন, ‘এই কবিতাটি আমার সেরা পছন্দের কবিতা, এটি পাঠ করে আমি অনেক আনন্দ ও সাহস পাই।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!