মঙ্গলবার আলজাজিরা জানায়, রাশাদের বয়স মাত্র সাত বছর। সে-ই ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার এ বছরের সর্বকনিষ্ট হাফেজে কুরআন।
রাশাদের বাবা বলেন, ‘আমি রাশাদের শৈশব থেকেই তার জন্য আন্তরিকভাবে এ দোয়া করতাম- হে আল্লাহ! তুমি আমার ছেলেকে হেদায়েতপ্রাপ্ত ও হেদায়েতের পথপ্রদর্শক বান্দাদের কাতারে শামিল করো।’
তিনি বলেন, ‘যখন-ই সে এতো অল্প সময়ে হাফেজ হলো, তখন আমি অনুভব করলাম- আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেছেন এবং তাকে হেদায়েত দান করেছেন। আর মানুষের জন্য কুরআনই বড় হেদায়েত।’
.png)
খুবই কম সময়ে হিফজ সম্পন্ন করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছোট্ট রাশাদের জন্য শুভ কামনা জানাচ্ছেন অনেকে। ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অব মুসলিম স্কলার্সের সেক্রেটারি জেনারেল শায়খ আলি মুহিউদ্দিন কারা দাগিও তাকে নিয়ে টুইট করেছেন।
টুইটবার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘আগামীর বিজয়প্রজন্ম। সুলতান সালাহুদ্দিনের উত্তরসূরি রাশাদ আবু রাআস। সাত বছর বয়সী এই বালক কুরআনে কারিম হিফজ করেছে।’