সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের বরাতে গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়, ভ্রমণ, পর্যটন ও শ্রম এই তিন ভিসার যেকোনোটিতে ওমরাহ পালন করা করা যাবে। সেই সঙ্গে সৌদি আরব ছাড়ার সময় যাতায়াতের পথও পরিবর্তন করা যাবে। এ সুযোগ নিতে ওমরাহ’র অনুমতিপত্রে মক্কার মসজিদুল হারামে অবস্থানের সময় নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
.png)
ব্যক্তিগত ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে গিয়ে ই-নিবন্ধনের মাধ্যমে ওমরাহ করার পাশাপাশি মদিনায় হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারত করতে পারবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমরাহ ভিসার মেয়াদ ১ মাস থেকে ৩ মাস করেছে সৌদি সরকার। ভিসাধারীরা জল, স্থল ও আকাশপথের পাশাপাশি যেকোনো বিমানবন্দর হয়ে ফিরতে পারবেন বলে জানানো হয়
তাছাড়া ওমরাহর প্রক্রিয়াও সহজ করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। ভিনদেশি মুসলিমদের ওমরাহ করার আমন্ত্রণ জানাতে এবং তাদের জন্য ভিসার আবেদন করার সুযোগ সৌদি নাগরিকদের দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ওমরাহ যাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু করেছে সৌদি আরব। নতুন নিয়ম অনুসারে, এখন থেকে সৌদির নাগরিক ও বিদেশি উভয় শ্রেণির ওমরাহ যাত্রীরা সর্বোচ্চে এক লাখ রিয়াল স্বাস্থ্যবীমা করাতে পারবেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২৮ লাখ টাকার সমান।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বীমা করা কোনো যাত্রী যদি ওমরাহ করার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন, সেক্ষেত্রে বীমার ঐ টাকা থেকে তার ভিসার মেয়াদ বাড়ানোসহ হাসপাতালে ভর্তি ও চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হবে। এছাড়া রোগীর চিকিৎসার জন্য ওষুধ ও অন্যান্য মেডিকেল সামগ্রীর ব্যয়ও মেটানো হবে। বীমা করা যাত্রীদের জন্য মেডিকেল শয্যার সর্বোচ্চ দৈনিক ভাড়া হবে ৬০০ রিয়াল।