সব নবী-রাসূলের নেতা রাসূলুল্লাহ (সা.)
বিশ্বনবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আবির্ভাব আইয়্যামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকার যুগে আরব সমাজের গোটা সমাজব্যবস্থাকে বদলে দিয়েছিল। মানবতার মুক্তির দূত হয়ে তিনি আরব সমাজের পাশাপাশি গোটা পৃথিবীর মানুষের জন্য নিয়ে এসেছিলেন শান্তির অমোঘ বার্তা।
মহানবী হজরত মোহাম্মাদ (সা.)-কে অন্য ধর্মাবলম্বী অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী বিখ্যাত পণ্ডিত মাইকেল এইচ হার্ট তার বহুল আলোচিত ‘দ্য হান্ড্রেড’ গ্রন্থে হজরত মোহাম্মাদ (সা.)-কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ হিসেবে স্থান দিয়েছেন।
আরো পড়ুন >>> রাসূলুল্লাহ (সা.)-ই একমাত্র শাফাআতকারী
.png)
মহানবী (সা.)-কে বলা হয় সাইয়্যিদুল মুরসালিন, সব নবী-রাসূলের নেতা। খাতাবুন নাবিয়্যিন বা শেষ নবী। তিনি নিখিল বিশ্বের নবী। তার জন্মের সময় আরব দেশ অশিক্ষা, অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও ঘোর তমসায় নিমজ্জিত ছিল। এ কারণে ওই সময়কে বলা হয় ‘আইয়্যামে জাহেলিয়াত বা অন্ধকারের যুগ’।
ওই বর্বর যুগে পৈশাচিক স্বভাবের কালিমাতে মানুষের মানবিক গুণাবলীর অপমৃত্যু ঘটেছিল। সে অবস্থা থেকে মানবজাতিকে মুক্তি দিতে মহান আল্লাহ হজরত মোহাম্মাদ (সা.)-কে সর্বশেষ রাসূল হিসেবে পৃথিবীতে পাঠান।
এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনের সূরা আম্বিয়ার ১০৭ নম্বর আয়াতে রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘আমি আপনাকে সারা বিশ্বের জন্য রহমত হিসেবে পাঠিয়েছি’।
মহান আল্লাহ পুরো মানবজাতির জন্য সর্বাপেক্ষা কল্যাণকর, পরিপূর্ণ জীবনবিধান সংবলিত পবিত্রতম আসমানি কিতাব ‘আল- কোরআন’ নাজিল করেন মহানবী (সা.) এর ওপর।
উল্লেখ্য, আজ আরবি হিজরি সনের ১২ রবিউল আউয়াল। প্রতিবছর এদিনটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে পালন করে মুসলিম বিশ্ব। বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মিলাদ, জশনে জুলুসসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান।