ঢাকা,  রোববার   ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

[ ধর্ম ]

জিলহজের প্রথম ১০ দিনের নফল ইবাদত কী কী?

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮:০৬, ৭ জুন ২০২৪
জিলহজের প্রথম ১০ দিনের নফল ইবাদত কী কী?
ছবি: প্রতীকী

জিলকদ, জিলহজ, মহররম ও রজব। ইসলাম ধর্মে এ ৪টি মাস বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এসব মাসে যুদ্ধবিগ্রহ, কলহবিবাদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা কোরআনুল কারিমে বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে মাসের সংখ্যা ১২টি, যা আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী সেই দিন থেকে চালু আছে, যে দিন আল্লাহ তাআলা আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছিলেন। এর মধ্যে ৪টি মাস বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান’। (সূরা: তওবা, আয়াত: ৩৬)

উক্ত ৪ মাসের মধ্যে জিলহজ মাস একটি। এটি আত্মত্যাগের মাস। মুসলিম জাতির পিতা ইব্রাহিম (আ.) এ মাসেই নিজের প্রিয় সন্তান ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানির মাধ্যমে প্রভুপ্রেমের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। যদিও আল্লাহর বিশেষ রহমতে ইসমাইল (আ.) এর পরিবর্তে একটি পশু কোরবানি হয়েছে।

জিলহজের প্রথম ১০ দিনের নফল ইবাদত কী কী?

জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিন অন্যান্য মাসের চেয়ে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন। এক হাদিসে বর্ণনা করা হয়েছে, জিলহজের মাসের প্রথম ১০ দিনের নেক আমলের চেয়ে অন্য কোনো মাসের আমল আল্লাহর কাছে এত প্রিয় নয়। তাই জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অনেক বেশি প্রিয়।

কিন্তু মানুষ হয়তো জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদতের চেয়ে রমজান মাসের শেষ ১০দিনের ইবাদতকে বেশি গুরুত্ব দেবেন। কিন্তু না, এটার চেয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ জিলহজের মাসের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত। এই ১০ দিনের ইবাদতে বেশি বেশি জিকির করতে হবে। যে জিকিরগুলো রাসূলুল্লাহ (সা.) বেশি করতে বলেছেন সেসব করবেন। দ্বিতীয়ত, বেশি বেশি তাকবির বলা। হাঁটাচলা, উঠাবসা থেকে শুরু করে সবসময় তাকবির বলা। তৃতীয়ত, রাসূলুল্লাহ (সা.) জিলহজের মাসের প্রথম ৯ দিন সিয়াম পালন করতেন। তাই ঈদের দিন বাদে মানে প্রথম ৯ দিন সম্ভব হলে সিয়াম পালন করা। এই ৯ দিন সিয়াম পালন করা সুন্নাহ সম্মত আমল। এ ছাড়া দিনগুলোতে অধিক সদকা করা গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/জিআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!