কিন্তু ইংল্যান্ডেরই পার্শ্ববর্তী দেশ আয়ারল্যান্ডে একই ধরণের উইকেট হয়ে থাকে। চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে কিন্তু সেরকম উইকেটে রাজত্ব করেছেন স্পীনাররা।
সাকিব, মিরাজ, সৈকতদের ইকোনমি আশ্চর্যজনক ভাবে চার এর খানিকটা উপরে। এছাড়া বিশ্বের যেকোনো উইকেটেই বাংলাদেশী স্পীনাররা দেখিয়ে থাকেন তাদের ঘুর্ণিজাদু।
.png)
যেহেতু ইংল্যান্ডে এসময়ে শীতের তীব্রতা দেখা যাচ্ছে,পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বাতাসও হয়ে থাকে, কাজেই উইকেট অনেকটা লো থাকবে। আর লো উইকেট যেকোনো স্পীনারের জন্য স্বর্গ।
সাকিব, রিয়াদ, মিরাজ, সৈকতরা করেন অফস্পিন। যাদের প্রায় সবারই ইকোনমি সাড়ে চারের নিচে। পার্টটাইম লেগ স্পীনার হিসেবে ভালোই হাত ঘুরাতে পারেন সাব্বির রহমান। ব্রেক থ্রো আনার জন্য কাজে দিতে পারে তার ঘূর্ণি।
এছাড়া দলে পেস বোলার যারা আছেন, তারাও কিন্তু ওয়ার্ল্ড ক্লাস। মুস্তাফিজের কাটার তো আজও সবার কাছে অধরা।
পাশাপাশি ব্যাটসম্যানরা বিশেষ করে ওপেনাররা যদি ভালো একটা শুরু এনে দিতে পারেন, তবে নিঃসন্দেহে দলের জন্য সেটা হবে সোনায় সোহাগা।
আমি মনে করি গেইম প্লান যদি সবাই প্রোপার এক্সিকিউট করে, তবে এবারের বিশ্বকাপ থেকেই হতে পারে নতুন গল্পের শুরু।
এ হিসেবে আমি মনে করছি পাঁচটা থেকে ছয়টা ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা আমাদের প্রবল। দেখা যাক, কি হয়! সময়ই বলে দেবে।
ডেইলি বাংলাদেশ/সালি