ব্যাটসম্যানরা টিকে থাকলে করতে পারেন বড় রানের সংগ্রহ। প্রায় প্রতিটা দলেরই সামর্থ্য আছে ইংল্যান্ডের উইকেটে ৩০০ প্লাস স্কোর করার, আর সেটা হয়ও।
সেই অর্থে আগে ব্যাটিং করলে অবশ্যই টার্গেট থাকতে হবে ৩০০ এর উপরে রান করার। আবার প্রথমে ফিল্ডিং হলে ৩০০ প্লাস রান চেজ করারও মেন্টালিটি থাকতে হবে।
.png)
আর এটা অবশ্যই পসিবল টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের দ্বারা, এ জন্য তাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। প্রথম উইকেট জুটি যদি যে কোনো ম্যাচে ১০০ এর উপরে রান তুলে দেয়, সঙ্গে যেকোনো একজন শতক করতে পারেন, তবে সেটাই সাহায্য করবে টার্গেট পূরণে।
এছাড়া আনফরচুনেটলি যদি আর্লি উইকেট ফল করে, সেক্ষেত্রে তিনে বা চারে যে আসবে, তার দায়িত্ব হবে প্রেশার রিলিজ করে খেলা।
প্রথম দিকে ভালো শুরু হলে মিডল অর্ডারের কাজ হবে এর সঙ্গে বাড়তি কিছু যোগ করা। এর সঙ্গে ফিনিশিংটাও অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।
সে ক্ষেত্রে সাত বা আটে যারা ব্যাট করতে নামবে, তাদের কাজ হবে মোমেন্টাম অনুযায়ী ভালো ফিনিশিং দেয়া। মোট কথা, ব্যাটসম্যানরা যতটা ভালো সার্ভিস দিবে, বোলারদের জন্য ম্যাচ বের করা ততটাই সহজ হয়ে যাবে।
আশার কথা হলো, আমাদের টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ ফর্মে আছেন। আয়ারল্যান্ডের মাটিতে সদ্য শেষ হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজে চার ম্যাচের তিনটাতেই ফিফটি করেছেন তামিম ইকবাল।
সামান্যর জন্য তামিমের তো শতকও হাতছাড়া হলো। সৌম্য খেলেছেন তিন ম্যাচ, তিনটিতেই ফিফটি। সৌম্যকে বিশ্রাম দিয়ে লিটন দাশকে এক ম্যাচ সুযোগ দেয়া হলে সেও খেলে ৬৭ বলে ৭৬ রানের এক টর্নেডো ইনিংস।
এছাড়া সাকিব, মুশফিক, রিয়াদরা তো আছেনই। সবমিলিয়ে এই বিশ্বকাপে অবাক করে দেয়ার মত কিছু করবে বাংলাদেশ দল, এটাই আমার বিশ্বাস।
ডেইলি বাংলাদেশ/সালি