সোমবার সকালে সাকিবের এই ফার্মে কাজ করা দুই শতাধিক শ্রমিক একযোগে আন্দোলনে নামেন। এ সময় বেতনের দাবিতে শ্লোগান দিতে থাকেন তারা। তবে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে তাদের বেশিসময় অবস্থান করতে দেয়নি র্যাবের টহল টিম।
আন্দোলনের ব্যাপারে সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্মের শ্রমিক মনোয়ারা জানান, ‘পরিবার পরিজন নিয়ে ভাল ভাবে জীবন যাপন করার আশাতেই এই কাঁকড়ার ফার্মে কাজ করি। কিন্তু গত ৪ মাস ধরে আমাদের বেতন দেয়নি। এতে আমাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। ঘরে খাবার না থাকায় ছেলে মেয়েরা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে’।
.png)
একই ফার্মের আরেক শ্রমিক মহিদুল ইসলাম চার মাসের বেতন না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এদিকে বেতন না পাওয়ায় নিজেরা খুব কষ্টে আছেন বলে জানান রহিমা বেগম।
এমতাবস্থায় স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ফার্ম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ৩০ এপ্রিলের মাঝেই শ্রমিকদের বেতন দেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।
তবে সাকিব আল হাসানের এই ফার্মের আরেক কর্ণধার সগীর হোসেন পাভেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ দিকে সাকিব আল হাসান করোনায় আক্রান্ত অসহায়দের সাহায্যের জন্য কাজ করছেন আর ফান্ড ও গঠন করছেন।