পয়েন্ট টেবিলের নিচের সারির দল ব্রেমেনের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে বায়ার্ন। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। জেরোমে বোয়াটেংয়ের উঁচু করে বাড়ানো বল ডি-বক্সে বুক দিয়ে নামিয়ে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে দর্শনীয় একটি গোল করেন লেভানদোভস্কি।
চলতি লিগে এটা লেভানদোভস্কির ৩১তম গোল। সব প্রতিযোগিতা মিলে চলতি মৌসুমে ৪০ ম্যাচে ৪৬টি গোল করেছেন তিনি।
.png)
৬০তম মিনিটে আরেকটি গোলের সহজ সুযোগ মিস করেন লেভানদোভস্কি। ৮০তম মিনিটে ব্রেমেনের ডিফেন্ডার মিলোস ভেলিকোভিচকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বায়ার্ন মিডফিল্ডার আলফান্সো ডেভিস।
১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর শেষ মুহূর্তে গোল খেতে বসেছিল বায়ার্ন মিউনিখ। তবে ওসাকার হেড ক্ষীপ্রতার সঙ্গে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়ার। এতেই বায়ার্নের শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায়।
গ্যালারিতে দর্শক না থাকায় বাঁধনহারা উচ্ছ্বাসে মাততে পারেননি ফুটবলাররা। একে অপরকে জড়িয়ে ধরা ও পিঠ চাপড়ে দেয়ার মাধ্যমে শিরোপার উৎসব করে তারা। তবে করোনার কঠিন সময় কাটিয়ে এসে লিগ শিরোপা জয় করা, এটাই বা কম কী!