কোচ হিসেবে জাভি হার্নান্দেজ দায়িত্ব নেয়ার পর লিগে টানা দুই জয়ে ভালো কিছুর আভাস দিয়েছিল মৌসুমের শুরু থেকে ভুগতে থাকা বার্সেলোনা। কিন্তু ঘরের মাঠে এমন সাদামাটা পারফরম্যান্স যেন কাতালান ক্লাবটির হতাশাই বাড়ালো।
ম্যাচের শুরুতেই বিপদে পড়তে পারত বার্সেলোনা। তবে সতীর্থের লম্বা ক্রসে হুয়ানমি গোলরক্ষক বরাবর হেড করেন। একাদশ মিনিটে লক্ষ্যে প্রথম শট নিতে পারে স্বাগতিকরা। জর্দি আলবার ক্রসে ফিলিপে কৌতিনহোর ফ্লিক ঠেকিয়ে দেন বেতিস গোলরক্ষক।
.png)
প্রথমার্ধে বার্সেলোনার বলার মতো সুযোগ ছিল ওই একটিই। ছন্দ খুঁজে ফেরা দলটি ৩৩তম মিনিটে খায় ধাক্কা। প্রতিপক্ষের জোরালো শটে মাথায় আঘাত পেয়ে মাঠে কিছুক্ষণ পড়ে থাকেন তরুণ মিডফিল্ডার গাভি। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়েন তিনি। তার বদলি নামেন আরেক তরুণ মিডফিল্ডার রিকি পুইগ।
প্রতিপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিতে পারেনি বেতিসও। ৪৫তম মিনিটে ভালো একটি সুযোগ নষ্ট করে তারা। সতীর্থের ক্রস ডি-বক্সে দারুণ পজিশনে পেয়েও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি আইতর রুইবাল।
৫২তম মিনিটে বার্সেলোনার জালে বলও পাঠান রুইবাল। তবে অফসাইডে ছিলেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। আক্রমণের ধার বাড়াতে ৫৮তম মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনে বার্সেলোনা। কৌতিনহোকে বসিয়ে উসমান ডেম্বেলে ও নিকো গঞ্জালেজের জায়গায় ফ্রেংকি ডি ইয়ংকে নামান কোচ।
পরের ২০ মিনিটে টানা আক্রমণ করে বার্সেলোনা। কয়েকটি হাফ-চান্সও তৈরি করে তারা। তবে নিশ্চিত সুযোগ মিলছিল না। ৭৭তম মিনিটে একক প্রচেষ্টায় আশা জাগালেও লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে শেষ পর্যন্ত হতাশ করেন ডেম্বেলে।
মাঝের এই সময়ে রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত বেতিস ৭৯তম মিনিটে দারুণ এক প্রতি-আক্রমণে এগিয়ে যায়। সতীর্থের পাস পেয়ে ক্রিস্তিয়ান তেইয়ো বল বাড়ান ডি-বক্সে ফাঁকায় থাকা হুয়ানমিকে। ডান পায়ের শটে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।
বাকি সময়ে ম্যাচে ফিরতে পারেনি বার্সা। ফলে ন্যু ক্যাম্পে হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। দারুণ এই জয়ে লিগ টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠেছে বেতিস। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩০। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ছয় জয় ও পাঁচ ড্রয়ে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে সাত নম্বরে।