ব্রড-অ্যান্ডারসনকে একাদশে ফেরানোর ইঙ্গিত সিলভারউডের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অ্যাশেজের প্রথম টেস্টের একাদশে সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ডের দুই সেরা পেসার জেমস অ্যান্ডারসন ও স্টুয়ার্ট ব্রডের। দেশ সেরা দুই পেসারের সুযোগ না হওয়ায় ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্টের কড়া সমালোচনা করেছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। তবে অ্যাডিলেডে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে এ দু’জনকে দলে ফেরানোর ইঙ্গিত দিলেন ইংল্যান্ডের কোচ ক্রিস সিলভারউড।
ইংল্যান্ডের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী অ্যান্ডারসন। ১৬৬ টেস্টে ৬৩২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট ব্রডের। ১৪৯ টেস্টে ৫২৪ উইকেট ঝুলিতে ব্রডের। দু’জনে মিলে টেস্টে ১১৫৬ উইকেট নিয়েছেন।
অথচ এমন দুই পেসারকে একাদশের বাইরে রেখে ব্রিসবেনে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট খেলে ইংল্যান্ড। ম্যাচটি ৯ উইকেটে হারে ইংলিশরা। ইংল্যান্ডের অনেক সাবেক ক্রিকেটারের মতে, অ্যান্ডারসন-ব্রড না থাকায় ব্রিসবেনে হেরেছে ইংল্যান্ড।
.png)
প্রথম টেস্টে খেলতে না পেরে এরই মধ্যে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্রড। ইংল্যান্ডের পত্রিকার এক কলামে ব্রড লিখেছেন, গত ১২ মাস ধরে অ্যান্ডারসন এবং আমি ততটাই ফিট, যতটা এই কোভিডের পরিবেশে হওয়া দরকার। অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচটি টেস্টেই খেলার জন্য আমি তৈরি ছিলাম।
তিনি আরো লেখেন, কিন্তু ইংল্যান্ড দলের নির্বাচন কোনো সময়েই ক্রিকেটারদের হাতে থাকে না। এটা কিছু নির্দিষ্ট মানুষের হাতে এবং তারাই ভারসাম্য অনুযায়ী দল ঠিক করে। আপাতত আমাদের কাজ হল সিরিজের বাকি চার ম্যাচের জন্য নিজেদের তৈরি রাখা।
তবে অ্যাডিলেডে গোলাপি বলের টেস্টে অ্যান্ডারসন-ব্রডকে ফেরানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন সিলভারউড। তিনি বলেন, জিমি ফিট এবং দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত সে। সেই সাথে ব্রডও। তবে তারা যে খেলবে এটা আমি এখনই বলছি না।
সিলভারউড আরো বলেন, গোলাপি বলের টেস্টকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে অনুশীলন করেছে অ্যান্ডারসন-ব্রড। আমরা খুবই ভাল মানের বোলারের একটি সেট পেয়েছি।
অ্যান্ডারসন-ব্রডের প্রশংসা করে সিলভারউড বলেন, আমরা ভাগ্যবান যে, অ্যান্ডারসন-ব্রডের মত দুই জন গ্রেট বোলার পেয়েছি। তাদের অনেক অভিজ্ঞতাও রয়েছে।
ব্রডের হতাশা নিয়েও কথা বলেন সিলভারউড। তিনি বলেন, ব্রড খুবই ভালো বোলার। নিশ্চিতভাবেই ব্রড হতাশ। কিন্তু সে অবশ্যই জানে, এটা অনেক লম্বা সিরিজ। তার ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে অবশ্যই তার সাথে আলোচনা করেই নেয়া হয়। দলের অন্য সবার মতো সেও শতভাগ প্রস্তুত থাকে সবসময়।
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে দিবা রাত্রির অ্যাডিলেড টেস্ট।