লক্ষ্য তাড়া করে বাংলাদেশের আগের জয়ে রেকর্ডটি ছিলো ৪ উইকেটে। ২০০৯ সালে গ্রেনাডায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২১৫ রান তাড়া করে ম্যাচ জিতে নেয় টাইগাররা। ৬ উইকেটে ২১৭ রান করে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়া বাংলাদেশ ৪টি জয় পেয়েছে। এরমধ্যে অন্য দু’টি হলো যথাক্রমে ৪ ও ৩ উইকেটে। ২০১৭ সালে কলম্বোতে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৪ উইকেটে এবং ২০১৪ সালে ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩ উইকেটে জয় পেয়েছিলো বাংলাদেশ।
.png)
এদিকে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর জয়ের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মুমিনুল বলেন, আমরা টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করছিলাম না। শেষ দুটি ম্যাচ হেরেছি। সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য টেস্ট দলের একটা জয়ের ভিত তৈরি করা দরকার ছিল। সেদিক থেকে এ জয়টা ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অধিনায়কের কাছে ব্যক্তির সাফল্যের চেয়ে দলের সাফল্যই মূখ্য। মুমিনুল বলেন, এটা একটা দলীয় সাফল্য। সবাই জিততে মুখিয়ে ছিল। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং– সবাই এগিয়ে এসেছে।
এরপর তিনি বলেন, তবে নির্দিষ্ট করে বললে, যাদের কারণে এত বড় সাফল্য ধরা দিয়েছে, তাদের কথা না বললেই নয়। আমরা জিতেছি মূলত আমাদের বোলারদের কারণে। প্রথম ও দ্বিতীয়, দুই ইনিংসেই ওরা ছিল এক কথায় দুর্দান্ত। ওরা কঠোর পরিশ্রম করেছে। ঠিক জায়গায় বল করেছে। নিউজিল্যান্ডকে চাপে রাখতে পেরেছে।
এবাদত হোসেনের প্রশংসা করেঅধিনায়ক মুমিনুল বলেন, সূর্য তাপ দেওয়া শুরু করায় উইকেটও শুষ্ক হয়ে ওঠে। আমরা সেই সুবিধাটা নিতে চেষ্টা করেছি। এবাদত অবিশ্বাস্য বোলিং করেছে। বলতে গেলে এক কথায় দুর্দান্ত বোলিং করেছে।
বাংলাদেশের ম্যাচ জয়ের মুহূর্তটি দেখুন এখানে।