এই তিনজনের দারুণ নৈপুণ্যে ক্লেমঁ ফুতকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি। এর আগের ম্যাচে মেসি-নেইমার-এমবাপ্পে প্রথমবারের মতো একই ম্যাচে গোল উৎসব করেছিলেন।
মেসির পাস থেকে নেইমারের গোলে রাতের শুরুটা হয় পিএসজির। এর কিছু পরে মেসির পাস ছুটে যায় এমবাপ্পের কাছে, ফরাসি তারকাও সেটা গোলে রূপ দিতে ভুল করেননি। বিরতির একটু আগে গোল একটা হজম করে বসে দলটি, ফলে প্রথমার্ধটা এক গোলে এগিয়ে থেকেই পার করে দেয় ফরাসি দলটি।
.png)
তবে দলটির আক্রমণের ধার বহুগুণে বাড়ে দ্বিতীয়ার্ধে। ৭১ মিনিটে নেইমারের পেনাল্টি দিয়ে শুরু। এর কয়েক সেকেন্ড পরই এমবাপ্পের দ্বিতীয় গোল, যার যোগান ছিল নেইমারের।
মেসির অ্যাসিস্টে এমবাপ্পে তার হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ৮০ মিনিটে। ৮৩ মিনিটে এমবাপ্পের বাড়ানো বলে নেইমার করেন তার তৃতীয় গোল। ৬-১ ব্যবধানে জেতা নিশ্চিত হয় কোচ মরিসিও পচেত্তিনোর দলের।
এই জয়ের ফলে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ১৫ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে গেল পিএসজি। বর্তমানে দলটির অর্জন ৩১ ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট। লিগ ওয়ানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা রেনে ও মার্শেই দুই দলই ৫৬ পয়েন্ট অর্জন করেছে।
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে ১৫ পয়েন্টে এগিয়ে যাওয়ায় পিএসজির সামনে এখন শিরোপা পুনরুদ্ধারের দারুণ হাতছানি। লিগ ওয়ানের শিরোপা ঘরে তোলা থেকে বর্তমানে তাদের দূরত্ব ৩ ম্যাচের। বাকি তিন ম্যাচে জিতে গেলেই শিরোপাটা আবারও ঘরে তুলবে ফরাসি দলটি।
এদিকে এই ম্যাচে তিন গোল করে এমবাপ্পে ফরাসি লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে গেছেন। বর্তমানে তার গোল ২০টি। সবচেয়ে বেশি গোলে অবদান রাখা খেলোয়াড়ও পিএসজিরই। চলতি মৌসুমে ১৮ ম্যাচে ১৩ গোল করিয়েছেন মেসি, লা লিগার অ্যাসিস্টের তালিকায় তার চেয়ে ওপরে নেই আর কেউ।