পাকিস্তান ফুটবল ফেডারেশন বা পিএফএফ-এ তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ এবং পরবর্তীতে ফিফার গঠিত কমিটিকে অবজ্ঞার চোখে দেখে। আর এ কারণেই দেশটি বছর খানেক পূর্বে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে। গত এপ্রিলে এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেয় ফিফা।
তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ থেকে পিএফএফকে মুক্ত করতে ফিফা একটি ‘নরমালাইজেশন কমিটি’ গঠন করে। তবে পিএফএফের তৎকালীন সভাপতি আশফাক হুসেন সেই কমিটিকে তেমন একটা পাত্তা না দিয়ে বিতাড়িত করেন।
.png)
আশফাক হুসেনের সভাপতি হওয়ার বিষয়টিকে শুরু থেকেই অনুমোদন দেয়নি ফিফা। এরপরও ফিফার সিদ্ধান্তের প্রতি তার অবজ্ঞা প্রদর্শনের কারণে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ এই সংস্থা।
বুধবার (২৯ জুন) ব্যুরো অব দ্য ফিফা কাউন্সিল এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এই প্রসঙ্গে ফিফা এক বিবৃতিতে জানায়, ‘ফিফার নরমালাইজেশন কমিটি পিএফএফের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বুঝে পাবার পরই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’
পিএফএফের কোনো পক্ষ নরমালাইজেশন কমিটির কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করলে পাকিস্তান আবারও নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে বলেও নিশ্চিত করেছে ফিফা। এদিকে নরমালাইজেশন কমিটির মেয়াদও আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়।