শনিবার রাতে জার্মান সুপার কাপের ম্যাচে মুখোমুখি দুই দল। যেখানে ৫-৩ গোলের ব্যবধানে জিতে টানা তৃতীয় ও রেকর্ড দশমবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে বায়ার্ন। শেষ সাতবারের মধ্যে ছয়বারই জার্মান সুপার কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা।
গোলে ভরপুর ম্যাচটিতে প্রথম গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে মাত্র ১৪ মিনিট। কর্ণার থেকে আসা বলে নিচু শট নিয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তরুণ মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালা।
.png)
এর ১৭ মিনিট পর বায়ার্নের জার্সিতে নিজের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক গোল করেন সাদিও মানে। ম্যাচে অবশ্য আরো দুইবার জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়েছিলেন মানে। কিন্তু দুইবারই অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেই গোল।
প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে বায়ার্নকে তিন গোলের লিড এনে দেন বেনজামিন পাভার্ড। তখন মনে হচ্ছিল একপেশেই হতে চলেছে ম্যাচটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বায়ার্নের ঢিলেমির সুযোগ নিয়ে ৫৯ মিনিটে এক গোল শোধ করে লাইপজিগ।
এ সময় স্কোরশিটে নাম তোলেন মার্সেল হালস্টেনবার্গ। তবে ছয় মিনিট পর আবারও বায়ার্নকে উল্লাসে মাতান সার্জি জিনাব্রি। দমে যাওয়ার পাত্র ছিল না লাইপজিগ। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন ক্রিস্টোফার এনকুকু।
স্কোরলাইন তখন ৪-২; ম্যাচের ৮৯ মিনিটে দানি ওলমো গোল করলে আরো জমে ওঠে ম্যাচ। তবে লাইপজিগকে আর আশার আলো জ্বালতে দেয়নি বায়ার্ন। উল্টো অতিরিক্ত যোগ করা সময়ের একদম শেষ দিকে লেরয় সানের গোলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।