হটন মনে করেন, ক্রিকেট ক্রমশ ফুটবলের পথে এগিয়ে চলেছে। গোটা বিশ্বেই ক্রিকেট দ্রুত বদলাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অনেকেই অনেক কিছু বলছেন। সারা বছর প্রচুর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট হচ্ছে এখন। আমার মনে হয় এই অবস্থা বদলাবে। ফুটবলের পথেই হাঁটবে ক্রিকেট। সর্বত্রই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আরো বাড়বে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য হয়তো তিন মাস থাকবে। এটা অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মত।’
জিম্বাবুয়ের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক হটন। ভারতের বিপক্ষে হারারেতে খেলেছিলেন ১২১ রানের টেস্ট ইনিংস। তারপর কেটে গেছে ৩০ বছর। এখন তিনি জিম্বাবুয়ের কোচ। এক দিনের সিরিজে সামনে আবার সেই ভারত। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জিম্বাবুয়ে জাতীয় দলকে কোচিং করাচ্ছেন তিনি।
.png)
দায়িত্ব নিয়েই ক্রিকেটারদের ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার মন্ত্র দিয়েছেন হটন। সুফলও পেয়েছেন। ২০১৭ সালের পর প্রথম কোনো টেস্ট খেলিয়ে দেশের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এক দিনের সিরিজ জিতেছে জিম্বাবুয়ে। জয় এসেছে টি-২০ সিরিজেও। বাংলাদেশকে হারানোর পর ভারতের বিরুদ্ধেও সিরিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হটন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দল হিসাবে ভাল। সাদা বলের ক্রিকেটে তো বেশ ভাল। আমরাও আগ্রাসী ক্রিকেট খেলেছি। তাতেই সাফল্য এসেছে। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ আমাদের জন্য বড় পরীক্ষা। এই সিরিজ থেকেই বুঝতে পারব, আমরা এগোতে পেরেছি না কি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাফল্য সাময়িক ঝলক।’
তার ক্রিকেট-দর্শনের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে ব্রেন্ডন ম্যাককালামের বাজবল তত্ত্বের। হটন মানতে চাননি। তিনি বলেন, ‘এই তুলনার কোনো অর্থ নেই। ম্যাককালাম ইংল্যান্ডের টেস্ট দলকে নিয়ে কাজ করছে। আমি চাই ২২ গজে সব সময়ই সাহসী থাকুক ক্রিকেটাররা। সে ভাবেই নিজেদের প্রয়োগ করুক।’
তিনি আরো বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে ওরা যে রকম আগ্রাসী শট খেলে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তেমনই খেলতে বলেছি। অনেকেই রিভার্স সুইপ বা অন্য ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলতে ভয় পেত। দল থেকে বাদ যাওয়ার আশঙ্কায় থাকত। আমি ছেলেদের সেই নিশ্চয়তা দিয়েছি।’