গত ১৬ আগস্ট ভারতীয় ফুটবল সংস্থা এআইএফএফকে নিষিদ্ধ করে ফিফা। ফুটবলের পর এবার দেশটির অলিম্পিক, হকি আর টেবিল টেনিস সংস্থাও একই কারণে নিষেধাজ্ঞার শংকায় রয়েছে।
এআইএফএফ নিষিদ্ধ হয়েছিল ফেডারেশনে তৃতীয় পক্ষের হাত থাকায়। এআইএফএফের সাবেক সভাপতি প্রফুল প্যাটেলকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের (সিওএ) দ্বারা সংস্থাটি পরিচালিত হচ্ছিল।
.png)
এআইএফএফের মতো হকি ইন্ডিয়াতে সর্বেসর্বা হয়ে বসেছে সিওএ। তবে এআইএফএফ থেকে হকি সংস্থার বিপদ আরও বেশি। সামনের বছর ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ হওয়ার কথা।
তার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে। এফআইএইচ যদি হকি ইন্ডিয়াকে নির্বাসিত করে দেয়, তা হলে সামনের বছর ভারতে বিশ্বকাপ তো হবেই না, বিশ্বকাপেও খেলার যোগ্যতা হারাবে দেশটি।
টেবিল টেনিসের পরিস্থিতিটাও একই। দিল্লি হাইকোর্টের রায় অনুসারে সেখানেও সিওএ-কে দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের দায়িত্ব।
কমনওয়েলথ গেমসের আগে বেশ কিছু খেলোয়াড়কে বাদ দিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে সেই সিওএ। বাদ পড়া টেবিল টেনিস খেলোয়াড়রা এরপর আদালতের দ্বারস্থ হন, এর ফলে খেলোয়াড় দিয়া চিতালে সুযোগ পান কমনওয়েলথে যাওয়ার।
ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থাও (আইওএ) আছে নির্বাসনের ঝুঁকিতে। আইওএকে যদি শেষমেশ নির্বাসিত করা হয়, তা হলে বিরাট সমস্যায় পড়বেন ভারতের ক্রীড়াবিদরা।
অলিম্পিক্স তো বটেই, আইওএ-র অধীনে যে ক’টি ক্রীড়া সংস্থা রয়েছে, তাদের কোনো ক্রীড়াবিদ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না।
এরফলে দেশটির হাজার হাজার ক্রীড়াবিদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।