সুপার টুয়েলভে দেখা গেল উত্তাপ ছড়ানো 'সুপার ওয়্যার'। তাতে বিশ্বকাপের সেরা চার দল নির্ধারিত করতে দলগুলোকে লড়তে হলো নিজেদের শেষ ম্যাচ অবধি।
বারো দলের এই সেরার লড়াইয়ে সেরা চারে জায়গা করে নেওয়া প্রথম দুই দল হলো নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। গ্রুপ-২ থেকে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই স্থান দখল করে সবার আগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে তারা।
.png)
গ্রুপ-২ থেকে শেষের দিকে লড়াই জমে উঠেছিল বেশ। সমীকরণ ছিল 'পরোপকার'। অর্থাৎ এক দলের সাহায্য ছাড়া আরেক দলের সেমিফাইনাল অনিশ্চিত। তাতে সন্ধি করতে পারত শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়া দুই দলই। তবে খেলাটা ক্রিকেট বলেই সেটা হলো না। ফলে কেউই উঠতে পারলো না সেমিফাইনালে। বিদায় নিলো একে অন্যের হাত ধরে!

দুই নম্বর গ্রুপ থেকে আগেই বাদ পরে গিয়েছিল আয়ারল্যান্ড ও আফগানিস্তান। বাকি ছিল চার দল নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, শ্রীলংকা ও অস্ট্রেলিয়া। চার দলের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের অবস্থা ছিল বেশ ভাল। তাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েই ছিল।
বাকি তিন দলের লড়াইয়ে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান। এই ম্যাচে আফগানিস্তান জিতলে শ্রীলংকার আশা বেঁচে থাকতো। তবে অস্ট্রেলিয়া জিতে যাওয়ায় বিদায় ঘন্টা বেঁজে যায় লংকানদের। কিন্তু জিতেও অস্ট্রেলিয়ার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার উপায় ছিল না। কারণ তাদের ভাগ্য ঝুলে ছিল আবার শ্রীলংকার হাতে!
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলংকা জিতলে সেমিতে পা রাখতো অজিরা। তবে সেটা আর হলো না। ইংলিশদের ৪ উইকেটের জয়ে বিদায় নিলো লংকানরা। সেই সঙ্গে টেনে নিয়ে গেল সবশেষ আসরের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকেও।

আজকের জয়ে গ্রুপ-২ এর রানার্স আপ হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। গ্রুপ সেরা হয় নিউজিল্যান্ড। এই দুই দলের সমান ৭ পয়েন্ট থাকলেও রান রেটে পিছিয়ে থেকে বাদ পড়েছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
শনিবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করেছিল শ্রীলংকা। জবাবে শেষ ওভার পর্যন্ত লড়াই করে ২ বল হাতে রেখে ৬ উইকেট হারিয়েই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড।