ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
কাতার বিশ্বকাপ-২০২২

শত সমালোচনার মধ্যেও শ্রমিকদের খুশি রাখার চেষ্টা কাতারের

স্পোর্টস ডেস্ক:
প্রকাশিত: ১৭:৪৬, ২১ নভেম্বর ২০২২
শত সমালোচনার মধ্যেও শ্রমিকদের খুশি রাখার চেষ্টা কাতারের
ছবি: সংগৃহীত

শুরু হলো বিশ্ব ফুটবলের সর্ববৃহৎ উৎসব ‘কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ-২০২২’। আয়োজনকে ঘিরে কোনো কমতি রাখেনি আয়োজক দেশ কাতার। বরং প্রয়োজনের চাইতে বেশিই খরচ করেছে তারা। কিন্তু যাদের ঘাম, শ্রম আর জীবনের বিনিময়ে এতোবড় বিশ্ব আসর সফল ভাবে শুরু হলো তাদের ভূলে যায়নি আয়োজক কতৃপক্ষ। শত সমালোচনার মধ্যেও শ্রমিকদের খুশি রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে কাতার।    

কাতারে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপ আয়োজনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা শ্রমিকদের। যাদের শ্রম, ত্যাগে বাস্তব রূপ পেল বিশ্বকাপ, সেই শ্রমিকদের নিয়ে ভিন্ন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো কাতার। 

'ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া ফ্যান জোনে' বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচটি একত্রে উপভোগ করার ব্যবস্থা করে দিল তারা। এর ফলে হাজারো প্রবাসী শ্রমিক এক সঙ্গে বসে খেলা উপভোগ করে। 

Advertisement

ফ্যান জোনে থাকা পুরুষদের প্রায় বেশিরভাগই ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার কর্মী। বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফ্রিকার কর্মীই ছিল বেশি। বিশ্বকাপ সফলভাবে মাঠে গড়ানোর পেছনে তাদের প্রত্যেকেরই কোনো না কোনো অবদান রয়েছে।  


সারা বিশ্বের ফুটবলপ্রেমীদের মতো তারাও বুঁদ হয়েছিলেন খেলার ভেতরে। অনেকেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ দেখার জন্য ছুটি নিয়েছেন আবার অনেকেই কাজ শেষ করে দ্রুত চলে আসেন ফ্যান জোনে। 

তাদেরই একজন বাংলাদেশের মোহাম্মদ হোসেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরাকে তিনি বলেন, 'ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বকাপের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য বড় ব্যাপার। প্রথমবার একটি মুসলিম দেশ এর আয়োজন করছে। কখনো ভাবিনি এমন গুরুত্বপূর্ণ কিছুর অংশীদার হব। আমার জীবদ্দশায়, আমার দেশের বিশ্বকাপে খেলা বা আয়োজন করার সুযোগই নেই। ' 

ভারতের পিটার বলেন, 'এখন যেমন মেট্রো বা বাস দেখছেন রাস্তায়, কাতারে এমনটা ছিল না। বিশ্বকাপ না হলে এইসব দালান, হাইওয়ে ও সড়কের হয়তো অস্তিত্বই থাকত না। আমি খুবই খুশি, আমরা বড় দায়িত্ব পালন করেছি।


 

ডেইলি-বাংলাদেশ/সালি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!