ফুটবলের প্রতিটা আসরেই সবার নজর থাকে বিশ্বসেরা তারকাদের দিকে। পায়ের জাদুতে আসরজুড়ে তারা মুক্তো ছড়িয়ে দেবেন, এমনটাই প্রত্যাশা থাকে পৃথিবীর অজস্র সীমান্তের অগুনতি মানুষের। কাতারের আসরকে ঘিরে এমনই প্রত্যশা ছিল সবার।
কিন্তু হচ্ছে ঠিক উল্টোটা। একের পর এক ইনজুরিতে ধীরে ধীরে রং হারাতে যাচ্ছে কাতার।
.png)
কাতার বিশ্বকাপ নিয়ে আয়োজকদের আয়োজনে কোনো কমতি নেই। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট দেশ কাতার। অথচ, পুরো আয়োজনটাই রঙহীন হতে যাচ্ছে ফুটবলারদের একের পর এক ইনজুরিতে। ইনজুরির কারণে এরই মধ্যে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার।

তাতেও অবশ্য শঙ্কা কাটছে না। কেননা, এখনো বিশ্বকাপের পুরোটাই বাকি। এর মধ্যে কেউ নতুন করে ইনজুরিতে পড়লে তালিকায় বাড়বে সংখ্যা। তদুপরি বিশ্বকাপের মধ্যেই ইনজুরি আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে সবচেয়ে বেশি। সব মিলিয়ে এবারের কাতার বিশ্বকাপকে এরই মধ্যে ইনজুরির বিশ্বকাপ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

কাতারে ইনজুরির শুরুর আগে শেষ থেকেই বরং দেখা যাক। সবশেষ খবর পাওয়া অব্দি ইনজুরির মিছিলে যোগ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার মার্টিন রয়েল। তার আগে তালিকায় নাম বসিয়েছেন ফ্রান্সের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা করিম বেনজেমা। বেনজেমাই শুধু নয়, এই তালিকায় আছেন আরো নামকরা কয়েকজন।
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ছিটকে গেছেন ফ্রান্সের পল পগবা ও এনগোলো কান্তে। তার পথ ধরে একই দলে নাম লিখিয়েছেন সেনেগাল তারকা সাদিও মানে। এমনকি এই দলে আছেন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডের সবচেয়ে বড় ভরসা লো সেলসোও।

ফুটবলারদের ইনজুরিতে পড়ার মূল কারণ, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহ আগেও তাদেরকে ক্লাব ফুটবল খেলতে হয়েছে। আর ক্লাব পর্যায়ের ফুটবল কতটা কঠিন, সেটা কারো অজানা নয়। ইনজুরিতে পড়ার শঙ্কায় পিএসজির হয়ে শেষ দুই ম্যাচের একটিও খেলেননি মেসি। কারন তিনি ইনজুরিতে পড়লেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ!
ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে গেছেন, এমন কয়েকজন ফুটবলার হলেন পল পগবা, এনগোলা কন্তে, টিমো ওয়ার্নার, রিস জেমস, দিয়েগো জোতা, পেদ্রো নেতো, বুবাকার কামারা, আর্থার মেলো, স্কট কেনেডি, হেসাস টেকাটিটো করোনা, জিওভানি লো সেলসো, মার্কো রেউস, বেন চিলওয়েল, প্রেন্সেল কিমপেম্বে, ইউতা নাকায়ামা।

দূর্ভাগাদের এই তালিকায় আরো আছেন আমিনে হেরিট, সাদিও মানে, ক্রিস্টোফার এনকোকু, হোসে গায়া, করিম বেনজেমা, নিকোলাস গঞ্জালেজ, জোয়াকিন কোরেয়া, মার্টিন বয়েল।