মূলত বাণিজ্যিক চুক্তির মাধ্যমে ফিফার এই আয় এসেছে। চলতি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ফিফার শীর্ষস্থানীয় স্পন্সর হিসেবে নাম লেখিয়েছে কাতার এনার্জি। এছাড়াও স্পন্সরদের মধ্যে রয়েছে কাতারি ব্যাংক কিউএনবি এবং টেলিকমিউনিকেশন ফার্ম ওরেডু।
এ বছর আর্থিক প্ল্যাটফর্ম ক্রিপ্টো ডটকমের সঙ্গে দ্বিতীয়-স্তরের স্পন্সরশিপ চুক্তি করেছে ফিফা। এছাড়া মার্কিন স্পন্সর হিসেবে ব্লকচেইন সেবাদানকারী কোম্পানি অ্যালগোরান্ডকে পেয়েছে তারা।
.png)
সেপ ব্ল্যাটার ফিফার প্রেসিডেন্ট থাকাকালে রাশিয়া ও কাতার বিশ্বকাপের জন্য মূল সম্প্রচার চুক্তি সই হয়েছিল। এছাড়া ২০১১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ফক্স ও কাতারি সম্প্রচারমাধ্যম বিইন স্পোর্টসকে চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করেছে তারা।
ধারণা করা হচ্ছে, পরের চার বছরে ফিফার আয় প্রথমবারের মতো এক হাজার কোটি ডলার ছাড়াবে। মূলত নারী ফুটবল নিয়ে ফিফার নতুন পরিকল্পনা এবং আগামী বিশ্বকাপে দল বাড়ানোর ফলে আয় বাড়বে ফিফার।