তৃতীয় স্থানের জন্য মাঠে নামলো মরক্কো ও ক্রোয়েটরা
কাতার বিশ্বকাপের যাত্রা শেষের পথে।তৃতীয় স্থান দখলের জন্য লড়াইয়ে আজ মাঠে নামলো ক্রোয়েশিয়া ও মরক্কো। হাসিমুখে আসর শেষ করার জন্য লড়ছে দুই দল। তবে বিশ্বকাপে এটাও একটা সম্মানের লড়াই। বিশেষ করে মরক্কোর জন্য। আর আজকের মাঠের যুদ্ধে দুলই নিজেদের সেরা একাদশ নিয়ে জয়ের জন্য এখন মুখোমুখি এ দুই দল।
কাতারের খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত নয়টায়।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে লুকা মদরিচরা। অন্যদিকে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে থেমেছে মরক্কোর রূপকথা।
.png)
এই ম্যাচে মরক্কোর হারানোর কিছু নেই। বরং অর্জনের খাতায় স্মরণীয় কিছু যোগ করার উপলক্ষ্য আছে। আফ্রিকার প্রথম দেশ হিসেবে সেমিফাইনাল খেলেছে মরক্কো। চাওয়ার চেয়েও অনেক বেশি পেলেও শেষ ম্যাচটিকেও গুরুত্বহীন মনে করতে চায় না তারা।
এই ম্যাচ নিয়ে মরক্কোর কোচ ওয়ালিদ বলেন, ‘যদি ভিন্ন কিছু হতো আর আমরা ফাইনালে খেলতাম, তবে ভালো লাগতো। তবে এখন আমাদের আরেকটি ম্যাচ খেলতে হবে। আমি জানি, চতুর্থ হয়ে শেষ করার চেয়ে তৃতীয় হওয়াটা কত গুরুত্বপূর্ণ।’
অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়ার কোচ জলাতকো দালিচও এই ম্যাচটিকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য এটা বড় ফাইনাল, বড় ম্যাচ এবং মেডেলের জন্য লড়াই।’
উল্লেখ্য, চলতি বিশ্বকাপে একই গ্রুপে থাকার সুবাধে গ্রুপ পর্বেই একবার মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। ‘এফ’ গ্রুপের সেই ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছিল।
এই বিশ্বকাপের আগে একবারই এই দুই দল একে অন্যের বিপক্ষে খেলেছিল। ১৯৯৬ সালে কিং হাসান ইন্টারন্যাশনাল কাপের সেমি-ফাইনালে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ২-২ গোলে ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৭-৬ গোলে জিতেছিল ক্রোয়েশিয়া।
পরিসংখ্যানে তাকালে দেখা যায়, এবারের আগে একবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলেছে ক্রোয়েশিয়া। ১৯৯৮ আসরে ওই ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল ক্রোয়াটরা। মরক্কোর জন্য এটাই প্রথম অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে ।