ফাইনালের জন্য নিজেদের কাংক্ষিত একাদশই গঠন করতে পেরেছে দুই দল। ফাইনালের মহারণে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলবে না। কারণ হারলেই বিশ্বকাপ হাতছাড়া হয়ে যাবে। আর তাই নিজেদের সেরা একাদশ নিয়েই মাঠে নেমছে ফরাসি ও আলভিসেলেস্তেরা।
আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে আছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। যথারীতি আছেন লিওনেল মেসি ও আলভারেজ।
.png)
আর্জেন্টিনাও খেলতে নেমেছে ৪-৩-৩ ফরমেশন নিয়ে। অর্থ্যা, আক্রমণে মেসি, আলভারেজের সঙ্গে ডি মারিয়া।
মিডফিল্ডে রদ্রিগো ডি পল, ম্যাক অ্যালিস্টার এবং এনজো ফার্নান্দেজ।
ডিফেন্সে নাহুয়েল মোলিনা, নিকোলাস ওতামেন্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো এবং মার্কোস আকুনা।
পোস্টের নিচে রয়েছেন হিমালয় সমান- এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
অন্যদিকে ক্যামেল ফ্লু’র কারণে শঙ্কায় থাকা রাফায়েল ভারানে ও অলিভার জিরুদ আছেন ফ্রান্সের একাদশে। আছেন আদ্রিয়েন র্যাবিওটও।
মরক্কোর বিপক্ষে দায়ত উপামেচানোর পরিবর্তে খেলেছিলেন ইব্রাহিত কৌনাতে এবং ইউসেফ ফোফানা। র্যাবিও এবং উপামেচানো দলে ফেরার ফলে এই দু’জনকে সাইডলাইনে বসে থাকতে হচ্ছে।
পুরো বিশ্বকাপে যে ফরমেশনে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম খেলিয়েছেন- সেই ফরমেশনটাই ফাইনালের জন্য সেট করেছেন তিনি।
৪জনকে রেখেছেন ডিফেন্সে। ৩জনকে মিডফিল্ডে এবং ৩ জনকে রাখছেন আক্রমণে। অলিভিয়ের জিরু, কিলিয়ান এমবাপে এবং উসমান ডেম্বেলেই আক্রমণের মূল দায়িত্বে।
আর্জেন্টিনা একাদশ:
এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা, নিকোলাস ওতামেন্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, মার্কোস আকুনা, রদ্রিগো ডি পল, ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।
ফরমেশন: ৪-৩-৩
কোচ: লিওনেল স্কালোনি।
ফ্রান্স একাদশ:
হুগো লরিস, হুলেস কৌন্দে, রাফায়েল ভারানে, দায়ত উপামেচানো, থিও হার্নান্দেজ, আন্তোনিও গ্রিজম্যান, অরিলিয়েন টিচুয়ামেনি, আদ্রিয়েন র্যাবিও, উসমান ডেম্বেলে, অলিভিয়ের জিরু এবং কিলিয়ান এমবাপে।
ফরমেশন: ৪-৩-৩)
কোচ: দিদিয়ের দেশম।