এবারের আসরে মোট ৭টি দল অংশগ্রহণ করছে। শিরোপা ঘরে তুলতে প্রতিটি দলই নিজেদের পছন্দমতো দল সাজিয়েছে। দেখে নেয়া যাক কেমন হলো দলগুলো।
বিপিএলের সাত দল নিয়ে ডেইলি বাংলাদেশের ধারাবাহিক আয়োজনে আজ থাকছে তারুণ্যের শিবির সিলেট স্ট্রাইকার্স...
.png)
শক্তিমত্তা
বিপিএলে প্রতিবারই ব্যর্থতার আরেক নাম সিলেটের ফ্র্যাঞ্চাইজি। সব ব্যর্থতা ঝেরে এবার একদম নতুন মালিকানায় এসেছে দলটি। মালিকানায় নতুনত্ব থাকলেও দলটির মূল শক্তি দেশের অভিজ্ঞ ও পুরনো ক্রিকেটাররা। এর প্রমাণও দিয়েছে তারা মাঠে। ঢাকা পর্বে পরপর চার ম্যাচে চার জয় দিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে তারা।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজাকে কেন্দ্র করেই মূলত তৈরি করা হয়েছে সিলেট স্টাইকার্সের স্কোয়াড। ড্রাফট থেকে তারা দলে নিয়েছে দেশের ক্রিকেটের আরেক অভিজ্ঞ নাম মুশফিকুর রহিমকে। আছেন অভিজ্ঞ রুবেল হোসেনও।
ব্যাটিংয়ে দেশিদের মধ্যে দলের মূল শক্তি বাংলাদেশের দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত আর জাকির হাসান। মিডল অর্ডারে থাকবেন মুশফিকুর রহিম। আরো আছেন যুব বিশ্বকাপজয়ী দুই যুবা তৌহিদ হৃদয় ও কিপার ব্যাটার আকবর আলি। এখন পর্যন্ত তৌহিদ হৃদয় যা করে দেখালেন তা কেবল তার পক্ষেই সম্ভব। চার ম্যাচের তিনটাতেই ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন। তবে চট্টগ্রাম পর্বে তিনি খেলতে পারবেন না আঙুলের চোটের কারণে।
বিদেশি তারকাদের মধ্যে ব্যাটিং সামলাবেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ হারিস, শ্রীলংকার ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্লের মতো বর্তমান সময়ের সেরা কয়েকজন। গুলবাদিন নাইবও ঘুরিয়ে দিতে পারেন ম্যাচের মোড়।

বোলিংয়ে মাশরাফি ও রুবেলের সঙ্গে দলকে লিড দিবেন পাকিস্তানি গতি তারকা মোহাম্মাদ আমির। স্থানীয় পেসারদের মধ্যে আরো আছেন রেজাউর রহমান রাজা ও তানজিম হাসান সাকিব। অভিজ্ঞ স্পিনার নাবিল সামাদও আছেন দলটিতে।
দুর্বলতা
সিলেটের দুর্বলতার জায়গা হলো ওপেনিং। দুর্দান্ত শুরুর মতো এখানে কেউ নেই। যদিও শান্ত ও জাকিরের ব্যাট কথা বললে সিলেটও হাসতে পারে। বোলিংয়ে সময়ের সেরা স্পিনারদের কেউ না থাকায় অভাব টের পাওয়া যেতে পারে।
ট্রাম্প কার্ড
সিলেটের ট্রাম্প কার্ড হতে পারেন পাকিস্তানের ব্যাটার হারিস। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। সিলেটের ব্যাটিং অর্ডারের মিডল অর্ডারে ভরসা হয়ে উঠতে পারেন পাকিস্তানের এই উদীয়মান তারকা। তাছাড়া তৌহিদ হৃদয় তো আছেনই।
সিলেট স্টাইকার্স
সরাসরি চুক্তিতে:
মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ হারিস, রায়ান বার্ল, কামিন্দু মেন্ডিস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও থিসারা পেরেরা।
ড্রাফট থেকে দেশি:
মুশফিকুর রহিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, রেজাউর রহমান রাজা, নাবিল সামাদ, তৌহিদ হৃদয়, রুবেল হোসেন, জাকির হাসান, নাজমুল ইসলাম অপু, আকবর আলি, মোহাম্মদ শরিফুল্লাহ ও তানজিম হাসান সাকিব।
ড্রাফট থেকে বিদেশি:
টম মুরস, গুলবদিন নাইব।