ঘরের মাঠে খেলা। ফলে শুরু থেকে আক্রমণ শানিয়ে তারা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল চেলসি। তবে গোছানো খেলার অভাবে গ্রাহাম পটারের শিষ্যরা স্কোরশিটে নাম তুলতে ব্যর্থ হয়। খেলার ৩০ মিনিটের মাথায় পরপর দু'বার ডর্টমুন্ডের গোলপোস্টে হানা দেয় স্বাগতিকরা। কিন্তু প্রথমে কাই হাভার্টজের নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপরই গোছানো আক্রমণে বল জালে জড়ায় ব্লুজরা। তবে এটিও অফসাইডের কল্যাণে বাতিল হয়ে যায়। তাতেই কিছুটা বেঁচে যায় ডর্টমুন্ড। খানিক পরে আবারও আক্রমণ। তবে এবারও চেলসির দৌড় গোলমুখ পর্যন্ত।
খেলার ৪৩ মিনিটে চেলসিকে এগিয়ে দেন ইংলিশ স্ট্রাইকার রাহিম স্টার্লিং (১-০)। যার মাধ্যমে দুই লেগ মিলিয়ে ১-১ এ সমতায় আসে দু'দল। বিরতির আগে দু'দলই ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা চালায়। তবে এ সময়ের মধ্যে আর কেউ গোল পায়নি।
.png)
বিরতির পরও দাপুটে পারফর্ম ধরে রাখে পটারের শিষ্যরা। ৪৭তম মিনিটে তারা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। বেন চিলওয়েলের শট ডি-বক্সের ভেতর মারিয়ুস উলফের হাতে লাগলে পেনাল্টি পায় চেলসি। তবে প্রথমবার শট নিতে গিয়ে গোলরক্ষককে উল্টো দিকে পাঠালেও, বলটি পোস্টে মেরে দেন হাভার্টজ। তবে শট নেওয়ার আগে ডর্টমুন্ড খেলোয়াড় বক্সে চলে আসায় আবার পেনাল্টি শট মারার সুযোগ পায় চেলসি।
এবারও আগের বারের মতো গোলরক্ষককে উল্টো দিকে পাঠিয়ে একই জায়গায় শট নেন হাভার্টজ। তবে এবার আর ব্যর্থ হননি তিনি। বল পোস্ট ছুঁয়ে জালে পৌঁছে যায়।
এদিকে, দ্বিতীয়বার পেনাল্টি দেওয়ার সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানায় ডর্টমুন্ড খেলোয়াড়রা। রেফারির সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ তর্ক করেও অবশ্য লাভ হয়নি। শেষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি।