দলীয় ১৩ রানের মাঁথায় আইরিশদের দুর্গে প্রথম আঘাত করেন পেসার শরিফুল ইসলাম। টাইগারদের বিপক্ষে ৭ অভিষিক্ত ক্রিকেটার নিয়ে একাদশ সাজিয়েছে আইরিশরা। শুরুতেই ওপেনিংয়ে নামেন অভিষিক্ত আইরিশ ব্যাটার মারে কমিন্স। দলীয় ১৩ রানে পেসার শরিফুল ইসলামের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। এ সময় ব্যাক্তিগত ৫ রান করেন তিনি।
যাওয়ার আগেই উদ্বোধনী জুটিতে সঙ্গী জেমস ম্যাককলামের সঙ্গে কথা বলে রিভিউ না নিয়ে ফিরে যান কমিন্স। ভাঙে ১১ রানের জুটি। ফলে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ভালো হলো না তার। এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন কমিন্স। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষের ওয়ানডে ও টি-২০ তিনি ছিলেন না।
.png)
এরপর দলীয় ২৭ রানের মাঁথায় আইরিশদের দুর্গে দ্বিতীয় আঘাত পেসার এবাদত হোসেন। তার ওভারের শেষ বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন আইরিশ ওপেনার জেমস ম্যাককুলাম।
এবাদতের অফ স্টাম্পের বাইরের একটু বাড়তি বাউন্স করা বল ঠিক মতো খেলতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পারেননি। ফলে ব্যাটের কানায় লেগে ক্যাচ যায় দ্বিতীয় স্লিপে, নাজমুল হোসেন শান্তর কাছে। সুযোগ বুঝে হাতে বলটি ধরে ফেলেন শান্ত। এ সময় এক চারে ৩৪ বলে ১৫ রান করেন ফেরেন ম্যাককুলাম।
এরপর দলীয় ৪৮ রানের মাঁথায় আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালাবির্নিকে ফেরান স্পিনার তাইজুল ইসলাম। নিজের ষষ্ঠ ওভার ও দলীয় ২১. ৫ ওভারে আইরিশ অধিনায়ক অ্যান্ড্রু বালবির্নি তাইজুলের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফিরেন। এ সময় তিনি ৫০ বল খেলে ১৬ রান করেন। তার বিদায়ে ভাঙে ২১ রানের জুটি।