ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

এসি মিলানের বিপক্ষে নামার আগে নাপোলির ভাবনাজুড়ে ওশিমেন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:৩৫, ১১ এপ্রিল ২০২৩
এসি মিলানের বিপক্ষে নামার আগে নাপোলির ভাবনাজুড়ে ওশিমেন
ভিক্টর ওশিমেন

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অল-ইতালিয়ান কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে এসি মিলানের বিরুদ্ধে নামবে নাপোলি। এ ম্যাচে দলটি তাদের ইনফর্ম ফরোয়ার্ড ভিক্টর ওশিমেনের ফিটনেস নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

ইতালিয়ান ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম বড় দুটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে এই কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াই। বুধবার সান সিরোতে এই মুহূর্তে সিরি আ লিগের শীর্ষে থাকা নাপোলিকে আতিথ্য দেবে মিলান।

১৯৯০ সালের পর প্রথমবার লিগ শিরোপা জয়ে বাকি থাকা নয় ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জয়ী হতে হবে দক্ষিণ ইতালির সবচেয়ে বড় ক্লাব নাপোলির। একইসঙ্গে দারুণ ছন্দে থাকা লুসিয়ানো স্পালেত্তির দলটির সামনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম শিরোপা জয়েরও সুযোগ রয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার টেবিলের নিচের দিকে থাকা লেচ্চের বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে নাপোলি। তাও আবার এন্টোনিও গালোসের আত্মঘাতি গোলে সফরকারী নাপোলির অ্যাওয়ে জয় নিশ্চিত হয়।

আগের সপ্তাহে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মিলানের কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল নাপোলি। যে কারণে বলা যায় কাল মাঠে নামার আগে কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকবে স্পালেত্তির দলের।

এর আগে কখনই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটে খেলেনি নাপোলি। তবে এবার যেভাবে তারা প্রতিযোগিতার শুরু থেকে এ পর্যন্ত এসেছে তাতে ইউরোপীয়ান ফুটবলে নতুন এক পাওয়ারহাউজ হিসেবে এরই মধ্যে বিবেচিত হচ্ছে।

মৌসুম যত এগিয়েছে নাপোলি ততটাই ওশিমেন ও কাভিটা কাভারাটসখেলিয়ার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই মুহূর্তে সিরি আ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা ওশিমেন উরুর ইনজুরির কারণে গত দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি।

লেচ্চের বিপক্ষে জয়ের পর স্পালেত্তি বলেছেন, ‘ওশিমেনকে ছাড়া মাঠে নামা সত্যিই কঠিন হয়ে গেছে। কারণ তার উপস্থিতি দলকে দারুণভাবে উজ্জীবিত করে তুলে। ওশিমেন নিজের গুণেই সকলকে তার দিকে আকৃষ্ট করতে পারে।’

শনিবার ফ্রান্স ফুটবলে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে ওশিমেন বলেছেন, ‘যখন বলি যে আমি সবসময় প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে দলকে সামনে এগিয়ে যেতে চাপ দিতে থাকি তখন সেটা শুধুমাত্র কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এই মুহূর্তে দল কিভাবে খেলছে তা সবাই দেখছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সকলের মধ্যে আলাদা একটি ক্ষুধা তৈরী হয়েছে। যা আমার মধ্যে সবসময়ই ছিল। আর এজন্য অবশ্য কোচ স্পালেত্তি ধন্যবাদ পাবার যোগ্য। তার হাতে আক্রমণভাগ কিংবা রক্ষণভাগে খুব বেশী অপশন ছিল না। এর মধ্যেই তিনি কাজ চালিয়ে গেছেন।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!