রোববার সিটি গ্রাউন্ডে পুরো ম্যাচজুড়ে একক আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অবশ্য শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা ২-০ গোলের ব্যবধানে জিতেছে তারা। রেড ডেভিলদের এই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা অ্যান্টোনি মার্সিয়াল।
দলের দুইটি গোলেই অবদান ছিল অ্যান্টোনির। প্রথমার্ধে দারুণ এক গোলে ইউনাইটেডকে লিড এনে দেয়া তিনি। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে দিয়াগো ড্যালটের করা দ্বিতীয় গোলে তিনি ছিলেন অ্যাসিস্টের ভূমিকায়।
.png)
ম্যাচের ৬৯ শতাংশ সময় বল দখলে রাখে রেড ডেভিলরা। গোলের জন্য তারা শট নেয় মোট ২২টি, যার ৮টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে ফরেস্টের ৬ শটের একটিও ছিল না সঠিক লক্ষ্যস্থলে।
৩২ মিনিটে গোলের দেখা পেয় যায় ইউনাইটেড। শুরু থেকে প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করে ইউনাইটেড এগিয়ে যায় ম্যাচের ৩২ তম মিনিটে। ফের্নান্দেসের পাসে বক্সের ভেতর থেকে অ্যান্টোনির নেওয়া শট ক্যাসেল গোলরক্ষক নাভাস ঠেকিয়ে দিলেও হাতে জমাতে পারেননি। অরক্ষিত জায়গায় বলে পেয়ে ফিরতি শটে জাল খুঁজে নেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড অ্যান্টোনি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় এরিক টেন হেগের দল।
ম্যাচের ৫৬ মিনিটে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পান ব্রুনো ফার্নান্দেস। তার শট ঝাঁপিয়ে পড়ে দিক পরিবর্তন করেন দেন নাভাস। ফলে ব্যবধান বাড়ানোর আরো একটা সুযোগ হাতছাড়া করে ম্যানইউ। ৭৬ মিনিতে দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় ইউনাইটেড। অ্যান্টোনির পাস বক্সে পেয়ে এগিয়ে আসা নাভাসকে ফাঁকি দেন দালোত। যা ইউনাইটেডের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে তার প্রথম গোল। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধান ধরে রেখেই ম্যাচশেষ করে ম্যানইউ।
লিগে এই নিয়ে টানা ১০ ম্যাচে জয়হীন রইল ফরেস্ট। ৩১ ম্যাচে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান ১৮ নম্বরে। ৩১ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে আর্সেনাল। এক ম্যাচ কম খেলে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে শিরোপাধারী ম্যানচেস্টার সিটি। সিটির সমান ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে চারে নেমে গেছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড।