গেল বছরের শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে পাড়ি জমান রোনালদো। দেশটির ক্লাব আল-নাসরে রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে নাম লেখানোর কারণে পারিশ্রমিকে বড় লাফ দিয়েছেন সিআর সেভেন।
সেরা পারিশ্রমিক বাছতে অ্যাথলেটদের আয়কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-মাঠ থেকে আয় আর স্পন্সর, প্রচারণা ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি থেকে আয়। এই তালিকার দুইয়ে আছেন মেসি, তিনে জায়গা করে নিয়েছেন ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। অন্য সব খেলা ছাপিয়ে সেরা তিনে রাজত্ব এই তিন ফুটবলারের।
.png)
২০২২ সালের ১ মে থেকে চলতি বছরের ১ মে পর্যন্ত অ্যাথলেটদের আয়কে বিবেচনায় নিয়েছে ফোর্বস। মাঠের আয়ের মধ্যে প্রাইজমানি, বেতন ও বোনাস হিসাব করা হয়েছে। মাঠের বাইরের আয়ের মধ্যে স্পন্সর চুক্তি, নিবন্ধনভুক্ত আয়, হাজিরা ফির পাশাপাশি খেলোয়াড়টি কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলে সেই ব্যবসা থেকে যে পরিমাণ টাকা ফেরত পেয়েছেন, সেসবও হিসাব করেছে ফোর্বস।
ফোর্বসের প্রতিবেদন বলছে, সৌদির ক্লাবটি থেকে রোনালদোর বার্ষিক বেতন আনুমানিক ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এছাড়া মাঠের খেলায় তার আয় ৪ কোটি ৬০ লাখ আর আনুষঙ্গিক থেকে আয় আরো ৯ কোটি ডলার।
অন্যদিকে সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞায় পড়া মেসির আয় ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং তিনি মাঠের বাইরে আয় করেছেন আরও ৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার। তৃতীয় স্থানে থাকা এমবাপ্পে মাঠ থেকে আয় করেছেন ১০ কোটি ডলার। মাঠের বাইরে থেকে তার আয় ২ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে ১২ কোটি ডলার আয় করে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অ্যাথলেটদের তালিকায় তিনে ফরাসি এই সেনসেশন।
সেরা তিন পজিশন ফুটবলের দখলে থাকলেও চারে জায়গা করে নিয়েছেন বাস্কেটবল কিংবদন্তি লেব্রন জেমস। মোট ১১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার আয় করে ফোর্বসের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অ্যাথলেটের তালিকায় চতুর্থ তিনি।
অন্যদিকে, মেক্সিকোর বক্সার ক্যানেলো আলভারেজ ১১ কোটি ডলার আয় করে পাঁচে আছেন। শীর্ষ দশে বাকি পাঁচজনের মধ্যে দুজন করে গলফার ও বাস্কেটবল কিংবদন্তি এবং আরেকজন টেনিস কিংবদন্তি।