এমন কীর্তি গড়ার দিনে হালান্ডকে গার্ড অব অনার দিয়েছে সতীর্থ এবং দলের কোচিং স্টাফের সদস্যরা। এবারের আসরে বেশিরভাগ ম্যাচেই সিটির প্রথম গোল এসেছে তার পা থেকে। তবে গতকাল রাতে ওয়েস্টহ্যাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে গোল পেতে তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৭০ মিনিট পর্যন্ত।
জ্যাক গ্রিলিশের থ্রু পাস থেকে ৭০তম মিনিটে হালান্ড যখন বলটা পেয়ে গেলেন সামনে শুধু ওয়েস্ট হামের গোলকিপার লুকাস ফাবিয়ানিস্কি। হালান্ডের লব পোলিশ গোলকিপারের যেমন ধরার সাধ্য ছিল না, তেমনি প্রিমিয়ার লিগে এ মৌসুমে হালান্ডের ৩৫ নম্বর গোলও আপাতত ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
.png)
ম্যাচ শেষে সিটি কোচ গার্দিওলা বলেন, ‘এটা ওর প্রাপ্য ছিল। সে বিশেষ ধরনের স্ট্রাইকার। ওকে আমরা খুবই খুশি। একদিন লিগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটাও ভেঙে যাবে, সম্ভবত ও-ই ভাঙবে। এ ধরনের বিশেষ উপলক্ষ এলে সেটা যে বিশেষ কিছু তা দেখাতে হয়।’
লিগের মাঝপথে ‘গার্ড অব অনার’ পেয়ে যারপরনাই আনন্দিত হালান্ড, ‘এটা আমার জন্য বিশেষ রাত, বিশেষ মুহূর্ত। আমি খুবই খুশি এবং গর্বিত। গার্ড অব অনারের সময় সবাই যেভাবে পিঠ চাপড়াচ্ছিল, ব্যথাও লেগেছে।’