ঐতিহ্যের এই দ্বৈরথ এখন অনেকটায় ফ্যাকাশে। কেননা গত কয়েক বছর ধরে শিরোপার রেসে নেই ঢাকা মোহামেডান। হালের ঢাকা ফুটবলে আবাহনীর মূল লড়াইটা এখন টানা তিনবারের লিগজয়ী বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে। আবাহনী-মোহামেডান দ্বৈরথের সময় কাঁপত পুরো দেশ, সেই দিন অতীত হয়েছে। তারপরও পুরোনো সেই ঝাঁজ দেখা যায় মাঝে মধ্যেই।সেই পুরনো ঝাঁজ এখন অনেকটাই ফিকে। আশি-নব্বইয়ের দশকের মোহামেডান-আবাহনীর লড়াই আর বর্তমানের মধ্যে রয়েছে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। হালে সাদা-কালো জার্সিধারীরা রেস থেকে পিছিয়ে পড়েছে অনেকটাই। প্রিমিয়ার লিগের জমানায় কখনই শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে পারেনি মোহামেডান।
ফেডারেশন কাপের ম্যাচকে ঘিরে নিরপেক্ষভাবে খেলা পরিচালনার জন্য বিদেশি রেফারি দাবি করেছিল মোহামেডান সমর্থকরা। বাফুফে সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিনের সাথে দেখা করে লিখিত দাবি করেছিলেন তারা। সময় স্বল্পতার অজুহাতে বিদেশি রেফারি আনার উদ্যোগ নেয়নি বাফুফে। দেশি কারো হাতেই উঠছে আগামীকালের ফাইনালের বাশি।
.png)
আশি-নব্বইয়ের দশকের উত্তেজনার ঘ্রাণ পাওয়া যাচ্ছে কিছুটা। পেয়েছে বাফুফেও। তাই তো গ্যালারিতে যাতে কোন সমস্যা তৈরি না হয়, এক দলের সমর্থকরা যাতে অন্যদলের সমর্থকদের মধ্যে গিয়ে না বসে এ জন্য আগে থেকেই সতর্ককতা অবলম্বন করেছে বাফুফে।
তারা দুই ক্লাবকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে তাদের সমর্থকদের গ্যালারিতে বসার স্থান কোথায়। বাফুফের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়েছে-স্টেডিয়ামের পূর্ব পাশের বড় গ্যালারি অর্থাৎ ভিআইপি স্ট্যান্ড থেকে ডান পাশের গ্যালারিতে বসবে মোহামেডান সমর্থকরা। অন্য দিকে আবাহনী সমর্থকরা বসবে পশ্চিম পাশের বড় গ্যালারি অর্থাৎ ভিআইপি স্ট্যান্ড থেকে বাম পাশের গ্যালারিতে।