ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে এটাই শ্রীলংকার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। সিরিজে এখন ১-১ সমতা বিরাজ করছে। প্রথম ওয়ানডে ৬ উইকেটে জিতেছিলো সফরকারী আফগানিস্তান।
হাম্বানটোটায় টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে শ্রীলংকা। দলকে ৯৫ বলে ৮২ রানের সূচনা এনে দেন লংকান দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও দিমুথ করুনারত্নে। নিশাঙ্কাকে ৪৩ রানে থামিয়ে জুটি ভাঙ্গেন আফগানিস্তানের স্পিনার মোহাম্মদ নবি।
.png)
হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৫২ রানে আফগানিস্তানের আরেক স্পিনার নূর আহমেদের বলে ফেরেন করুনারত্নে। ১১০ রানের মধ্যে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ৮৬ বলে ৮৮ রান যোগ করেন কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামাবিক্রমা।
৪৪ রান করে আফগান স্পিনার মুজিব উর রহমানের শিকার হন সামারাবিক্রমা। হাফ-সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন কুশল। শেষ পর্যন্ত ৭৫ বল খেলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৭৮ রান করে আউট হন তিনি।
শেষদিকে ধনাঞ্জয় ডি সিলভা অপরাজিত ২৯, অধিনায়ক দাসুন শানাকা ২৩ ও হাসারাঙ্গা অপরাজিত ২৮ রান করলে বড় সংগ্রহ পায় শ্রীলংকা। ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩২৩ রান করে দলটি।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে এটাই লংকানদের সর্বোচ্চ দলীয় রান। বল হাতে আফগানিস্তানের নবি ও ফরিদ আহমেদ ২টি করে উইকেট নেন।
জবাবে টপ অর্ডারে ইব্রাহিম জাদরান-রহমত শাহ ও অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদীর ব্যাটিং নৈপুণ্যে ৩০ ওভার পর্যন্ত ভালোভাবেই লড়াইয়ে ছিলো আফগানিস্তান। ৩০ ওভার শেষে আফগানদের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৪৪ রান ।
শ্রীলংকার স্পিনারদের ঘুর্ণির সঙ্গে দলের পেসারদের তোপে ৩১তম ওভার থেকে আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইন-আপে ধস নামে। ৪৫ রানে শেষ ৮ উইকেট হারায় আফগানরা। শেষ পর্যন্ত ৪২ দশমিক ১ ওভারে ১৯১ রানে অলআউট হয় তারা।
দলের পক্ষে ইব্রাহিম ৫৪, শাহিদী ৫৭ ও রহমত ৩৬ রান করেন। বল হাতে শ্রীলংকার তিন স্পিনার হাসারাঙ্গা-ধনাঞ্জয় ৩টি করে এবং মহেশ থিকশানা ১টি উইকেট নেন। পেসার দুশমন্থ চামিরা ২টি ও শানাকা ১টি উইকেট শিকার করেন। ম্যাচ সেরা হন শ্রীলংকার ধনাঞ্জয়।
একই ভেন্যুতে আগামী ৭ জুন সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে।