নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৮২ রানে অল আউট হওয়া বাংলাদেশ চার উইকেটে ৪২৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছে। এর আগে ১৪৬ রানে থেমেছে আফগানিস্তানের ইনিংস। ম্যাচ জিততে আফগানদের প্রয়োজন ৬৬২ রান।
এক উইকেটে ১৩৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগেরদিন যেখানে থেমেছিলেন, সেখান থেকেই আপন ছন্দে এগোতে থাকেন দুই ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকির হাসান।
.png)
প্রথম ঘণ্টা নির্বিঘ্নেই পার করেন শান্ত ও জাকির। তবে এরপরই ছন্দপতন। ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউটের শিকার হন জাকির। যার মাধ্যমে ভাঙে শান্তর সঙ্গে তার ১৭৩ রানের জুটি। এ ওপেনার ফেরেন ৭১ রানে।
সঙ্গীকে হারালেও থামেনি শান্তর ব্যাট। ১১৫ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। যে পথে হাঁকান ১৩টি চার। এর মাধ্যমে মাত্র দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এক টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন এ ব্যাটার।
শান্তর এই অগ্রযাত্রা থামে ১২৪ রানে। তাকে ফেরানোর পর একই ওভারে পান দ্বিতীয় সাফল্যের দেখা পান জহির খান। এ সময় তিনি ফেরান মুশফিকুর রহিমকে। মাত্র ৮ রান করেন মুশি।
অল্প সময়ের মাঝে দুই ব্যাটারের বিদায়ের পরও ম্যাচে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন টাইগার ব্যাটাররা। এরই মাঝে ফিফটি করেছেন লিটন। জহিরকে প্যাডল সুইপের মাধ্যমে চার হাঁকিয়ে অর্ধশতক পূরণ করেন তিনি।
লিটনের ফিফটির পর সেঞ্চুরির দেখা পান মুমিনুল হক। দীর্ঘদিন পর তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারের দেখা পেলেন লিটল মাস্টার। আপার কাটের মাধ্যমে ক্যারিয়ারের দ্বাদশ সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। ১২৩ বলে মাইলফলকে পৌঁছান এ ব্যাটার।
শেষ পর্যন্ত ১৪৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে মাঠ ছাড়েন লিটন ও মুমিনুল। এ সময় দুজন অপরাজিত ছিলেন যথাক্রমে ৬৬ ও ১২১ রানে। আফগানদের হয়ে জহির দুটি ও আমির হামজা একটি করে উইকেট শিকার করেন।