ভারত আসার আগে কম্বোডিয়ায় প্রীতি ম্যাচে মোরসালিনের অভিষেক হয়। এরপর ক্যাবরেরা তাকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে ব্যবহার করা শুরু করেন। সাফে প্রথম ম্যাচে লেবাননের বিরুদ্ধে মোরসালিনের পাসেই দারুণ গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন ফাহিম। মালদ্বীপের বিপক্ষেও অসাধারণ কয়েকটি পাস দিয়েছেন মোরসালিন।
মালদ্বীপের বিপক্ষে স্কোরলাইন ৯০ মিনিটে ২-১ ছিল। ইনজুরি সময়ে মোরসালিন বক্সে প্রবেশ করে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে দুর্দান্ত শট নেন। মূলত তার গোলই বাংলাদেশের জয় সুনিশ্চিত হয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবেমাত্র পথচলা শুরু তার। হাঁটতে চান আরো অনেকটা পথ।
.png)
মোরসালিন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে খেলতে চান বিদেশের লিগগুলোতেও। তিনি বলেন, আমার প্রিয় খেলোয়াড় মেসি। নিজেকে বাংলাদেশের টপ লেভেলের ফুটবলার হিসেবে দেখতে চাই। আর আমার ইচ্ছা আছে, বাইরের দেশে লিগ খেলার। কিন্তু জানি না হবে কিনা।
ফুটবলের সঙ্গে মোরসালিনের সখ্যতা সেই ছোটবেলা থেকেই। কৈশোর পেরোনোর আগেই ফুটবলের প্রেমে পড়েন তিনি। যার জন্য মা-বাবার কড়া শাসনও মানতে হয়েছে তাকে। ফরিদপুর থেকে উঠে আসা এই ফুটবলারের প্রথমবার বুট কিনতে হয়েছিল নিজের জমানো টাকা দিয়ে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ বছর বয়স থেকেই খেলাধুলায় ভালো ছিলাম। তবে ফুটবলটা বেশি ভালো লাগতো। কিন্তু বাসা থেকে খেলতে দিতো না। একবার ফুটবল খেলার জন্য বুট কিনতে চেয়েছিলাম কিন্তু বাসা থেকে দেয়নি। তখন পিএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি পাওয়ার টাকা থেকে বুট কিনি। সেটা দিয়েই খেলা শুরু।