বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বৃষ্টি নামার আগে ৩৪.৩ ওভারে সাত উইকেটে ১৪৪ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। এ ম্যাচের শুরু থেকে স্বাগতিক ব্যাটারদের চেপে ধরে সফরকারীরা।
এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান আফগান অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শাহিদী।
.png)
এদিন বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও লিটন দাস। ম্যাচের শুরু থেকেই হাত খুলে ব্যাটিং করেন তামিম। আর ৯ বল খেলে প্রথম রানের খাতা খোলেন লিটন।
আফগানদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ম্যাচের সপ্তম ওভারে ফজল হকের বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজের তালুবন্দী হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন তামিম। আউট হওয়ার আগে ২১ বলে ১৩ রান করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর বাইশ গজে আসেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত। ক্রিজে এসেই আফগান বোলাদের ওপর চড়াও হন তিনি।
উইকেটে থিতু হওয়ার পর দ্রুত গতিতে রান তুলতে থাকেন লিটন। তবে দুই বাউন্ডারি ও এক ছয়ে ২৬ রান করে আউট হয়ে যান তিনি। ম্যাচের ১২তম ওভারে মুজিব-উর-রহমানের বলে ডাউন লেগে উড়ে মারতে গিয়ে রহমত শাহ’র তালুবন্দী হন তিনি।
এরপর ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। তবে উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই মোহাম্মদ নবীর প্রথম বলেই উইকেট বিলিয়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এতে ১২ রানেই ইনিংস থেমে যায় তার।
পরে আফগান বোলারদের চাপ সামলে বাংলাদেশের দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন সাকিব-হৃদয়। তবে আশা জাগিয়েও সাজঘরে ফিরেছেন সাকিব। ম্যাচের ২৩তম ওভারে আজমতউল্লাহর বলে কভার ড্রাইভ করেন তিনি। তবে ডান পাশে ঝাপিয়ে বলটি তালুবন্দী করেন নবী। এতে ১৪ রানে আউট হয়ে যান এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার।
এরপর উইকেটে আসেন টাইগারদের অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। তবে উইকেটের সঙ্গে বোঝাপড়ার আগেই রশিদের বলে উইকেট বিলিয়ে দেন তিনিও। এতে চাপ বাড়তে থাকে টাইগার শিবিরে।
অবশ্য রশিদ খানের স্পিনের সামনে দাঁড়াতে পারেননি আফিফ হোসেনও। ম্যাচের ২৮তম ওভারে লেগ বিফরের ফাঁদে পড়ে আউট হয়ে যান তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু মিরাজও হতাশ করেছে টাইগার ভক্তদের। ফজলহকের বলে মাত্র ৫ রানেই আউট হয়ে যান এ ডানহাতি ব্যাটার।