শনিবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ভারতের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশের মেয়েরা। এ ম্যাচে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান সংগ্রহ করেছে টাইগ্রেসরা। এতে সিরিজ জিততে ভারতের প্রয়োজন ২২৬ রান।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
.png)
সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। টাইগ্রেসদের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন শামিমা সুলতানা ও ফারজানা হক পিংকি। এ জুটিতে ভালো শুরু পায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
ম্যাচের ২৬তম ওভারের শেষ বলটি সুইপ করে ডিপ মিডউইকেটের দিকে ঠেলে দিয়ে ১ রান নিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শামিমা। পরের ওভারের প্রথম বলেই কভার থেকে দুই রান আদায় করে নেন তিনি।
অবশ্য পরের বলেই স্নেহ রানার বলে কাটা পড়েন শামিমা। এতে ৫ বাউন্ডারিতে ৫২ রানের ইনিংস থেমে যায় এ ডানহাতি ব্যাটারের।
এরপর বাইশ গজে আসেন টাইগ্রেস দলপতি নিগার সুলতানা জ্যোতি। তাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিতে থাকেন ফারজানা হক। এ জুটি থেকে ৭১ রান পায় স্বাগতিকরা। তবে প্রতিপক্ষ শিবিরে ভয় ধরানো এ জুটি ভাঙেন স্নেহ রানা।
ম্যাচের ৪১তম ওভারের তৃতীয় বলে আমানজটের তালুবন্দী করে জ্যোতিকে সাজঘরে ফেরান রানা। আউট হওয়ার আগে ৩৬ বলে ২৪ রান করেন তিনি।
পরে ক্রিজে আসেন রিতু মনি। তবে উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই ড্রেসিংরুমে ফিরে যান তিনি। এ ম্যাচে মাত্র ২ রান করেন এ অলরাউন্ডার। এরপর উইকেটে আসেন সোবহানা মোস্তারী।
ম্যাচের ৪৮তম ওভারের শেষ বলে শেফালিকে বাউন্ডারি হাকিয়ে তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার ছুঁয়ে ফেলেন ফারজানা। এরমধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন। অবশ্য ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন তিনি। সাজঘরে ফেরার আগে ৭টি বাউন্ডারিতে ১০৭ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছেন এ ব্যাটার। এতে ২২৫ রানে থামে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের ইনিংস।
ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট শিকার করেন স্নেহ রানা।