ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
এশিয়া কাপ-২০২৩

বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচের প্রশ্ন ফাঁস করেন যিনি

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:৩০, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচের প্রশ্ন ফাঁস করেন যিনি
ছবি- সংগৃহীত

ঘরের শত্রু বিভীষণ দুই দলেই ছিলেন। বাংলাদেশের কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে প্রতিপক্ষ শ্রীলংকা দলের নাড়িনক্ষত্র সব জানতেন। কারণ প্রায় দুই বছর লংকানদের হেড কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। 

একইভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বেশ ভালো মতো চেনেন তেমন একজন শ্রীলংকা দলেও আছেন। তিনি হলেন- লংকানদের সহকারী কোচ নাভিদ নেওয়াজ। তার অধীনেই ২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে টাইগার যুবারা। সেই দলের পাঁচজন আছেন এবারের এশিয়া কাপে। বুঝতেই পারছেন কেনো প্রশ্নটা কমন পড়েনি।

বাংলাদেশের এশিয়া কাপের ১৭ জনের স্কোয়াডে যুব বিশ্বকাপজয়ীদের মধ্যে তাওহীদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম, শামীম হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম ও শেষ মুহূর্তে তানজিম হাসান সাকিব সুযোগ পেয়েছেন। মূলত এবাদত হোসেনের চোটের কারণে প্রথমবারের মতো সাকিব দলে ডাক পান। 

Advertisement

এই পাঁচজন অনেকটা নাভিদ নেওয়াজের হাতে গড়া। তবে ৩১ আগস্ট তারা যেন শ্রীলংকার বিপক্ষে জ্বলে না ওঠেন, সে কামনা আগেই করেছিলেন নাভিদ।

‘ক্রিকবাজ’-এর সঙ্গে আলোচনায় অনেকটা রসিকতার ছলেই তিনি বলেন, ‘তাদের (হৃদয়, শরিফুল, তামিম) প্রতি আমার শুভেচ্ছা রইল। সেই সঙ্গে আশা করব শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তারা যেন ভালো না করে।’ 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য শিষ্যদের সফলতা কামনা করতে ভোলেননি নাভিদ। তিনি বলেন, ‘আমি খুব খুশি যে আমি এর (যুব বিশ্বকাপ জয়) অংশ ছিলাম। একজন কোচ বা মেন্টর হিসেবে মানুষকে উন্নতি করতে দেখাটা আমার জন্য ভীষণ সন্তুষ্টির। আশা করব, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তারা ভালো করবে।’ 

যুব বিশ্বকাপ জয় বিশাল অর্জন হলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সফল হতে হলে তাদের অনেক দূর যেতে হবে বলে মনে করছেন নাভিদ। তার মতে, ‘যুব বিশ্বকাপ জয় অনেক বড় অর্জন। কারণ এখানেই চ্যালেঞ্জের শুরু। পরে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চ্যালেঞ্জের সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারে, সেটার ওপর নির্ভর করে সবকিছু। তারা কীভাবে টিকে থাকবে, কীভাবে আরো উন্নতি করবে, সেটার ওপর নির্ভর করে।’

অনেকটা ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ এমন অবস্থা। মূলত নাভিদ মনেপ্রাণে চেয়েছিলেন লংকার গুঁড়োতে ঝলসে গেলেও অন্যদের সঙ্গে ঝলক দেখাক তার সাবেক ছাত্ররা। হয়েছেও তাই। অল্পতে গুটিয়ে যাওয়ার পর বড় ব্যবধানে টাইগারদের হার।

এটা ঠিক যে যুব বিশ্বকাপজয়ী তরুণ দলটি ঘিরে বড় স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। এরই মধ্যে এই দলটিকে ২০০৫ সালের সোনালি প্রজন্মের সঙ্গে তুলনা করা শুরু করেছেন অনেকে। ২০০৫ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ দল থেকে সাকিব, তামিম, মুশফিক জাতীয় দলে এসেছিলেন এবং লম্বা সময় দলের মেরুদণ্ড হিসেবে রয়েছেন তারা। 

তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটেও তেমন নির্ভরতার ইঙ্গিত মিলেছে। বোলিংয়ে শরিফুলও জায়গা পাকা করে নিয়েছেন। কিন্তু তাদের পরিপক্ব হতে যে আরো সময় লাগবে, সেটি আর কেউ না বুঝুক নাভিদ ঠিকই বুঝেছেন। তাইতো খুব সুক্ষভাবে বাংলাদেশি ব্যাটারদের নিজের সীমানায় আটকে ফেলেন এই লংকান কোচ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!