ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]
এশিয়া কাপ

বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিলেন শরিফুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:০৪, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩
বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিলেন শরিফুল
শরিফুল ইসলাম

এশিয়া কাপের সুপার ফোর পর্বের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি পাকিস্তান-বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে বড় সংগ্রহ পায়নি টাইগাররা। রান তাড়ায় সাবধানী শুরু করেছে স্বাগতিকরা। এর মাঝে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছেন শরিফুল ইসলাম।

পাকিস্তানের লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রান তাড়া করতে নামা পাকিস্তানের সংগ্রহ ৯.১ ওভারে এক উইকেটে ৩৫ রান। এর আগে ৩৮.৪ ওভারে ১৯৩ রানে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের হয়ে রান তাড়া করতে নামেন ফখর জামান ও ইমাম উল হক। শুরু থেকেই দেখে খেলতে থাকেন দুজন। পঞ্চম ওভার শেষে ফ্লাডলাইট বিভ্রাটে প্রায় ১৮ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে।

Advertisement

খেলা শুরুর কিছু পরেই সাফল্য পায় বাংলাদেশ। শরিফুল ইসলামের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন ফখর। এর আগে ২০ রান করেন তিনি।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তবে পাক বোলারদের তোপে দলীয় অর্ধশতকের আগেই ৪ উইকেট হারায় টাইগাররা।

ঠিক ২৮ ম্যাচ পর দলের সংগ্রহ ৫০ পূরণের আগেই এমন পরিস্থিতির মুখে পড়ে বাংলাদেশ। যেখানে মেকশিফট ওপেনার ও আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান মেহেদী হাসান মিরাজ ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই।

নাঈম শেখ ২০ রানে ফেরেন। এ ম্যাচে দলে যোগ দেওয়া লিটন দাস ১৬ রানের বেশি করতে পারেননি। তাওহীদ হৃদয়ও মাত্র ২ রানে বোল্ড হলে অল্পেই অল আউট হওয়ার শঙ্কায় পড়ে বাংলাদেশ।

এমন সময় দলের হাল ধরেন দীর্ঘদিনের দুই পরীক্ষিত সৈনিক সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। তাদের ব্যাটে ধীরে ধীরে এগোতে থাকে টাইগাররা। তবে যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ প্রায় চলে এসেছে, ঠিক তখনই সাকিবের বিদায়।

ফাহিম আশরাফকে পুল করতে গিয়ে সাকিব যখন সাজঘরে ফেরেন, তার একটু আগেই মুশফিকের সঙ্গে জুটিটা ১০০ ছুঁয়েছিল। সাকিব নিজেও দীর্ঘদিন পর পেয়েছিলেন ফিফটির স্বাদ। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৪তম ফিফটির ইনিংসটি অবশ্য বড় করতে পারেননি তিনি।

এরপরের গল্পটা শুধুই আসা যাওয়ার। আরেক ভরসার নাম মুশফিকও অবশ্য ফিফটি করেছেন। সপ্তম উইকেট হিসেবে আউট হওয়ার আগে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন তিনি। এর আগে শামীম পাটোয়ারি ফেরেন ১৬ রানে।

বাকি গল্পটা শুধুই হতাশার। মাত্র ৩ রানে শেষ চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। যার ফলে এক পর্যায়ে ভালো রানের স্বপ্ন দেখা টাইগারদের ইনিংস পেরোতে পারেনি ২০০ রানের গণ্ডি। ব্যাটিং উইকেটে ব্যাটারদের আত্মহত্যার মিছিলে অল্পেই থামে সাকিবের দল।

পাকিস্তানের হয়ে এ ম্যাচে একাই চার উইকেট শিকার করেন হারিস রউফ। এছাড়া নাসিম শাহ তিনটি এবং শাহিন শাহ আফ্রিদি, ফাহিম আশরাফ ও ইফতিখার আহমেদ একটি করে উইকেট শিকার করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!