ইনিংসের সূচনা যেহেতু পেসাররাই করেন, তারাই বেশিরভাগ সময় ওপেনারদের আউট করে থাকেন। তবে উইকেট-কন্ডিশন বিবেচনায় কিংবা প্রতিপক্ষকে চমকে দিতে স্পিনারদের দিয়েও বোলিং শুরু করানোর ঘটনা আছে, তবে সেটি খুব কমই। স্পিনার হিসেবে সাকিব মাঝের ওভারে বল করতে আসলেও, দলের প্রয়োজনে প্রথম পাওয়ারপ্লেতেও বল করেছেন অনেক। আর বল করতে এসে তার সাফল্যও চোখ কপালে তোলার মতো।
বিশ্বকাপ বিবেচনায় নিলে ওপেনারদের বিপক্ষে সাকিবের চেয়ে সফল স্পিনার এখন পর্যন্ত ক্রিকেটে আসেনি। শুধু স্পিনারদের সঙ্গে তুলনাতেই নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসেই সাকিব ওপেনারদের বিপক্ষে অন্যতম সফল বোলার। যাকে বলা যায় ওপেনারদের ‘যম’ কিংবা ‘মৃত্যুদূত’।
.png)
ওয়ানডে ক্রিকেটের এই মহাযজ্ঞে মোট ১৫বার ওপেনারদের আউট করেছেন সাকিব। আর কোনো স্পিনারই এতবার ওপেনারদের শিকার করতে পারেননি। সব ধরনের বোলারদের হিসেবে ধরলেও ওপেনার শিকারের বেলায় বিশ্বকাপে চতুর্থ সফলতম বোলার সাকিব।
২১ উইকেট শিকার করে ওপেনারদের বিপক্ষে সফলতম বোলার লংকান পেস বোলিং কিংবদন্তি চামিন্দা ভাস। এর পরেই আছেন ১৯বার আউট করা অজি কিংবদন্তি গ্লেন ম্যাকগ্রা ও আরেক লংকান কিংবদন্তি লাসিথ মালিঙ্গা। ১৬বার শিকার করে তার পরেই ইংলিশ পেসার জেমস অ্যান্ডারসন।
এছাড়া ১৫বার ওপেনারদের সাজঘরে ফিরিয়েছে ভারতের জহির খানও। সাকিব ও জহির যৌথভাবে আছেন চার নম্বরে।